শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদন>> কুয়াকাটা সৈকতের শতাধীক ক্ষুদ্র ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। পর্রযটন শুরুর প্রায় ২ যুগ পেরিয়ে গেলেও স্থায়ী কোন ব্যবসায়ীদের ঠিকানা না হওয়ায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল সকাল ১০ টায় কলাপাড়া উপজেলা (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জগৎ বন্ধু মন্ডলের নেতৃত্বে সোমবার, (২৭ডিসেম্বর) দিনভর কুয়াকাটা সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রায় দুই যুগ অতিক্রম হলেও ব্যবসায়ীদের নেই স্বস্তি, স্থায়ীভাবে মিলছেনা স্থাপনার কোনো জমি। একদিকে সৈকতে ভাঙ্গনের কবল অন্যদিকে অবৈধভাবে স্থাপনার দায়ে উচ্ছেদের তোপের মুখে পরছে দীর্ঘ বছরে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে সৈকতে বন্যা ও জলোচ্ছ্বাস উপেক্ষা করে পর্যটকদের সেবায় সারা বছর অপেক্ষা করে মাত্র কয়েকমাস ব্যবসা করে থাকি। যদি আমাদের বড় ব্যবসার পুঁজি থাকতো তবে আমরা কি সৈকতে এমন ক্ষুদ্র ব্যবসা করতাম? আমরা নিরুপায় বলেইতো অল্প পুঁজির ব্যবসা করি! গত কয়েকমাস আগে আমাদের দোকানপাট ভাংচুর করে প্রশাসন, এখন আবারো ভাঙ্গলো! কোনো নোটিশ বিহীন অতর্কিতভাবে আমাদের প্রায় শতাধিক প্রতিষ্ঠান চুরমার করে দিল কেন?
আমাদেরতো পূর্ব নোটিশ দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু প্রশাসন তা করেননি। এখন আমাদের কোন পথ খোলা নেই; অল্প পুঁজিতে আমরা কোনোভাবে ব্যবসা করে সংসার চালাই। এ অবস্থায় আমরা নিরুপায় হয়ে গেলাম। আমাদের জন্য যদি এর একটি সঠিক সমাধান না করা হয় তবে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ সংসারের ভরনপোষণের দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকেই নিতে হবে। নতুবা আমাদের স্থায়ীভাবে সৈকতে দ্বিধাহীনভাবে ব্যবসার সুযোগ দিতে হবে বলে দাবী করেন সৈকতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।