রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বকেয়া বেতনের দাবিতে বরিশালে ফরচুন সু লিঃ শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ আগৈলঝাড়ায় বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ছদ্মবেশী নারী দাঁড় করিয়ে জমি বিক্রির অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত ও দলিল বাতিলের দাবি সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চরফ্যাশনের ইউএনও রোমান আফরোজ বরিশাল সদরের চরকরজিতে সরকারি খাল ও চরের মাটি কাটার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র!
রোজায় এক ঢিলে কত পাখি মারল সরকার

রোজায় এক ঢিলে কত পাখি মারল সরকার

রোজায় এক ঢিলে কত পাখি মারল সরকার
রোজায় এক ঢিলে কত পাখি মারল সরকার

ইংরেজিতে ‘উইন-উইন সিচুয়েশন’ বলে একটা কথা আছে। আপনারা জানেন, এটা এমন এক পরিস্থিতি, যেখানে জড়িত সব পক্ষই সমানভাবে লাভবান হয়। সাধারণত যখন কোনো পদক্ষেপে সব পক্ষই তুষ্ট হয়, তখন আর তা বাস্তবায়নে কোনো দ্বিধাই থাকে না—‘এক ঢিলে সব পাখি কাত’।

পবিত্র রমজান মাসে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাসাধিককাল বন্ধ ঘোষণা করে নতুন সরকার দৃশ্যত সব পক্ষকেই কাত করেছে। কিন্তু শুরুতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই ‘জনপ্রিয়’ সিদ্ধান্তে আসলেই কি সব পক্ষ ‘উইন’ বা জয়লাভ করেছে? নাকি কার্যত এটা ‘লস-লস সিচুয়েশন’ তৈরি করেছে? যাতে শেষমেশ সব পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে? বা আরেকটু কর্কশ ভাষায় একে কি ‘নো উইন সিচুয়েশন’ বলা যায়, যাতে কোনো পক্ষেরই জেতার পথ খোলা নেই?

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে মোটাদাগে জড়িত পক্ষ তিনটি—শিক্ষার্থী-অভিভাবক, শিক্ষক এবং সরকার। দেখা যাক, এই সিদ্ধান্তে কার লাভ, কার ক্ষতি হলো।

রোজা রেখে বিশেষ করে শিশুশিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে অনেক ক্ষেত্রে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফলে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য স্বস্তির বাতাস বয়ে নিয়ে এসেছে, সন্দেহ নেই। তার ওপর আমাদের দেশের শিক্ষা যেখানে ‘শাস্তির’ই নামান্তর, সেখানে এক মাস এই শাস্তি থেকে স্বস্তি পেতে কে না চায়?

এ প্রসঙ্গে কয়েক দিন আগে এক শিশুশিক্ষার্থীর সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা মনে পড়ে গেল। শিশুটি প্রথম শ্রেণিতে পড়ে, স্কুলেও নিয়মিত। ওকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘তোমার সবচেয়ে ভালো লাগে কী?’ ও বলল, ‘ডিমভাজি দিয়ে ভাত।’ ‘স্কুল ভালো লাগে?’ পষ্ট জবাব, ‘না।’

শিক্ষাকে আমরা এখনো আনন্দদায়ক করে তুলতে পারিনি, সেটা ভিন্ন আলোচনা। এই আলাপচারিতা টানার উদ্দেশ্য, স্কুল বন্ধ তো ঐতিহাসিকভাবেই শিক্ষার্থীদের কাছে শাস্তি থেকে সাময়িক মুক্তি। ফলে রোজায় স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের যারপরনাই আনন্দিত করেছে। কিন্তু তাদের শিখনঘাটতির কী হবে?

আরো পড়ুন

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯