শুক্রবার, ৩১ Jul ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইনে কারোর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র গৃহীত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সরকারি কোনো চাকরির প্রার্থী হতে পারবেন না। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তিনি অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বা বহাল থাকার যোগ্যতাও হারাবেন। স্থানীয় সরকার পরিষদ বা প্রতিষ্ঠানের সদস্য, কমিশনার, চেয়ারম্যান, মেয়র বা প্রশাসক পদে নির্বাচিত হওয়া বা বহাল থাকারও অযোগ্য হবেন।
উপদেষ্টা পরিষদ বিভাগের ৪১তম সভায় আইন ও বিচার বিভাগের ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (তৃতীয় সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। আজ অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন।
ওই সভায় সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের ‘বেসরকারি অংশগ্রহণে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন/বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা, ২০২৫’, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা, ২০২৫–এর অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভা শেষে প্রেসসচিব বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩–এ সেকশন ২০ (সি) যুক্ত করা হয়েছে। নতুন সংযোজন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের সেকশন ৯(১)-এর অধীনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল হলে তিনি সংসদ সদস্য বা স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচিত পদে প্রার্থী বা বহাল থাকার যোগ্য থাকবেন না।’
তিনি জানান, ‘এ ধারা অনুসারে ওই ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার কিংবা অন্য কোনো সরকারি অফিসে অধিষ্ঠিত হওয়ারও অযোগ্য হবেন।
তিনি আরো বলেন, ‘এ ধারা অনুসারে ওই ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার কিংবা অন্য কোনো সরকারি অফিসে অধিষ্ঠিত হওয়ারও অযোগ্য হবেন।