বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >>গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের গাড়ি বহরে হামলা এবং গোপীনাথপুরে সেনা সদস্যদের ওপর হামলা ও গাড়ি পোরানো ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হক তার ভেরিফাইড ফেসবুকে দলীয় প্যাডে পোস্ট করে এসব ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন। একইসঙ্গে এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে, তাদের প্রশংসা করেছেন।
যদিও গতকাল শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলীয় প্যাডে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব ঘটনার দায় এড়িয়ে যাওয়া হয়।
গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হক তার ফেসবুকে নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, ‘প্রিয় নেতৃবৃন্দ, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সব সময় আওয়ামী নেতা-কর্মীদের পাশে ছিলে এবং থাকবে। সারা দেশে গত ৫ আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী সমর্থকদের ওপর অমানবিক নির্যাতন নেমে আসে। গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগ সব সময় একতাবদ্ধ।
গোপালগঞ্জে দুইটি ঘটনায় মুজিব প্রেমিক জনতার সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসা করে। আমরা সব সময় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপোষ করি নাই। এবং ভবিষ্যতেও করবো না।
জেলা আওয়ামী লীগের প্যাডে স্বাক্ষরবিহীন এমন পোস্ট ফেসবুকে ছড়িয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। এরকম দুইটি ন্যাক্কারজনক ঘটনাকে সমর্থন করে পোস্ট দেয়ায় লোকজনের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি নেতারা এসব ঘটনার পর থেকে আওয়ামী লীগকে দায়ী করে আসছিল। এ পোস্টের মধ্য দিয়ে তা সত্যি বলেই প্রতীয়মান হয়েছে বলে মনে করছেন বিএনপি।
বিভ্রান্ত না হয়ে সকলে একতাবদ্ধভাবে এই সংকট মোকাবেলা করবো।
বর্তমান সময় এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আইন নিজের হাতে না তুলে নিতে সকলকে অনুরোধ করছি।
আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের জন্য সবসময় জেলা আওয়ামী লীগ পাশে দাঁড়াবে। দলের এই সংকট মুহূর্তে কেউ বিভ্রান্তি ছড়াবেন না। ধৈর্য ধরুন। এই আঁধার কেটে যাবে আলো আসবেই।
’
গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিকুজ্জামান বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হকের ফেসবুক পোস্ট প্রমাণ করে পরিকল্পিতভাবেই আওয়ামী লীগ এই ঘটনা দুটি ঘটিয়েছে। আমরা ঘটনার পর থেকে বারবার এ কথা বলছি। আওয়ামী লীগের মদদে ও পৃষ্ঠপোষকতায় এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এই ফেসবুক পোস্টের মধ্য দিয়ে আজ তা পরিষ্কার হলো।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক শওকত আলী দিদার নিহত হয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস, এম জিলানী, তার স্ত্রী জেলা মহিলা দলের সভাপতি রওশান আরা রত্না ও তার শিশুপুত্রসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় অনেক নেতা-কর্মী আহত হন। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের নামেই মামলা হবে।
আরো পড়ুন