শুক্রবার, ৩১ Jul ২০২৬, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪>> বার্সার তখন সোনালি সময়। মাঝমাঠে জাভি নামে এক মহাতারকার দাপট। গোটা ইউরোপে চলছিল কাতালান শাসন। পেপ গার্দিওলা ছিলেন মূল মাস্টারমাইন্ড। পুরো দলকে নিজের মতো গুছিয়ে নেন তিনি। পুয়েল, জাভি, রোনালদিনহো, মেসিদের পদচারণায় তখন বিশ্বের অন্যতম সেরা দর্শকনন্দিত ক্লাবও হয়ে ওঠে বার্সা।
ঠিক যেমনটা অঁরি, পিরলো, সোলসায়ের, ল্যাম্পার্ড ও গাততুসোর বেলায় হয়েছিল। গত কয়েক বছরে একাধিক কোচ বদল করে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ১৯৯৬ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত ম্যানইউ মাতিয়েছিলেন সোলসায়ের। সে সময় তাদের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা হয়ে ওঠেন তিনি। এর পর ক্লাবটির দুর্দিনে ডাক পড়ে তাঁর। দীর্ঘদিন পর চেনা ঠিকানায় কোচ হয়ে ফেরেন সোলসায়েরও। যোগ দেন ২০১৮ সালের দিকে। কিন্তু তিনি আসার পর চুন থেকে পান খসতেই সব দোষ পড়ে তাঁর ঘাড়ে। রেড ডেভিলসদের উন্নতির গ্রাফটা কয়েক দিন ভালো থাকলেও পরে অবনতির গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত মন খারাপ করেই ছাড়তে হয় ওল্ড ট্র্যাফোর্ড।
সে সময়ের মাঝমাঠের কাণ্ডারি জাভি যখন কোচ হয়ে আসেন একই ক্লাবে, তখন দর্শকদের পাশাপাশি ক্লাব কর্তারাও ভীষণ খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু সেই খুশি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। এক-দুই মৌসুম যেতে না যেতেই তাঁর সমালোচনা শুরু। খেলোয়াড়দের মধ্যে দলাদলি। ক্লাব কর্তারা দুই ভাগে বিভক্ত। শেষ পর্যন্ত এসব টের পেয়ে নিজ থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন জাভি। শুধু জাভি নন; ইতিহাস বলছে, ক্লাবের সেরা তারকারা কখনোই কোচ হয়ে ফিরে সেই ক্লাবের প্রিয় পাত্র হতে পারেন না। তাদের আসা যতটা না সুখের, বিদায়টা হয় তার চেয়ে বেশি দুঃখের, কষ্টের।
অনেকটা একই পরিণতি বরণ করতে হয় প্রিমিয়ার লিগের আরেক ক্লাবে কোচ হয়ে ফেরা ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডকেও। ব্লুজদের অবস্থা ছিল ভীষণ খারাপ। মাঠে জয় নেই, মাঠের বাইরে তীব্র সমালোচনা। ঠিক এমন একসময় কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাদেরই ঘরের ছেলে ল্যাম্পার্ড। কিন্তু তাঁর ওপর বেশিদিন আস্থা রাখতে পারেননি তারা। ৫৭১ দিন চেলসির ইনচার্জের দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিতে হয় তাঁকে। এভাবে এসি মিলানের কিংবদন্তি খেলোয়াড় গাততুসো, মোনাকো মাতানো অঁরিকেও মেনে নিতে হয় এমন সব কঠিন বাস্তবতা