মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ ডেস্ক >> বাংলাদেশের প্রথম পুরুষ বিউটি ব্লগার হিসেবে তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত। মেকআপ টিউটোরিয়ালসহ বিউটি কেয়ারের নানা ধরনের ভিডিও কনটেন্ট বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত তিনি।
সাদমুআ বলেন, আমি আগে থেকেই মেকআপ করা পছন্দ করতাম। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি ওরক কোনো আগ্রহ ছিল না। হঠাৎ করে ইউটিউবে স্ক্রল করতে করতে দেখলাম যে বিভিন্ন দেশেই মেল বিউটি ব্লগাররা আছেন। দেখলাম যে জেমস চার্লস, জেফরি স্টাররা ভালো পজিশনে আছে। তাদের অনুপ্রেরণায় আমি একদিন ফেসবুক লাইভে আসি। দেখি যে সেটা ভাইরাল হয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাদমুআ নিজেকে একজন নন-বাইনারি হিসেবে পরিচয় দেন। দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কাটিয়ে ‘নন-বাইনারি’ পরিচয়ে চলতে প্রতিনিয়ত নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ছেন সাদ। তবে পরিবার পাশে থাকায় পথ চলা অনেকটা সহজ হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
সেই লাইভটি ভাইরাল হলেও মন্তব্যগুলো খুব একটা ইতিবাচক ছিল না। নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েও দমে যাননি সাদ বিন রাবী। ভাবলাম, এটা করে অনেকেই ক্যারিয়ার গড়ছেন; আমি কেন পারবো না?
২০১৮ সাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত বিউটি কেয়ারের নানা ধরনের ভিডিও পোস্ট করতে থাকেন সাদমুআ। তবে তার মেকআপের হাতেখড়ি মায়ের মাধ্যমে। মায়ের মেকআপ চুরি করে লুকিয়ে লুকিয়ে নিজেই চেষ্টা করতেন। কারণ বাংলাদেশে ছেলেদের মেকআপ করার প্রচলণ নেই।
সাদ বিশ্বাস করেন যে মেকআপ কেবল একটি মহিলার জিনিস নয়। এটি একজন পুরুষের ক্ষেত্রেও স্বাভাবিক। আপনি যা পছন্দ করেন তা কখনোই জোর করে আসার কথা নয়। এর জন্য প্রয়োজন স্বতঃস্ফূর্ততা।
সাদমুআ এখন ফেসবুক বা ইউটিউবে লাইভ করেন না। তিনি ক্যামেরায় শুট করে তা ইউটিউব ও ফেসবুক পেজে আপলোড করেন। এর মধ্যে একটি ভিডিও শুধু ইউটিউবেই ৪৪ মিলিয়ন মানুষ দেখেছে।
এরপরও, মহান বিপ্লবের পথে একটি ছোট পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজন একটুখানি উৎসাহ। আর এই উৎসাহ ছিলেন সাদের দাদী। তিনি সাদের পিতামাতার নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সাদকে মেকআপ সরঞ্জাম কিনতে সহায়তা করেছিলেন। এছাড়া সাদের নিজেরও যথেষ্ঠ চেষ্টা ছিলো তার মেকআপের উপর দক্ষতা অর্জনের জন্য।