বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বকেয়া বেতনের দাবিতে বরিশালে ফরচুন সু লিঃ শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ আগৈলঝাড়ায় বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ছদ্মবেশী নারী দাঁড় করিয়ে জমি বিক্রির অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত ও দলিল বাতিলের দাবি সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চরফ্যাশনের ইউএনও রোমান আফরোজ বরিশাল সদরের চরকরজিতে সরকারি খাল ও চরের মাটি কাটার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র!
খুলনা ঐতিহাসিক হাদিস পার্কের পুকুরে মৎস্য শিকার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

খুলনা ঐতিহাসিক হাদিস পার্কের পুকুরে মৎস্য শিকার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

শেখ শহীদুল্লাহ্ আল আজাদ >> খুলনায় ঐতিহাসিক শহিদ হাদিস পার্কে বসেছে সৌখিন মৎস্য শিকারিদের মিলনমেলা। সাত সকালে শহর ও গ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে মৎস্য শিকারিরা জড়ো হয় হাদিস পার্কে। মাছ ধরার পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই দেখতে এসেছেন। মানুষের সমাগমে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে হাদিস পার্কে।

আজ ১৭ নভেম্বর শুক্রবার ভোর ৫টায় শুরু হয় পার্কের পুকুরে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতা চলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত। খুলনা সিটি করর্পোরেশন (কেসিসি) এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। উক্ত বিষয়ে খুলনা সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, শহিদ হাদিস পার্কে মাছ শিকারীদের ১৯৯টি আবেদনের বিপরীতে ৩৫টি ঘাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতি ঘাটের মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। কেসিসি ৩৫টি ঘাটের মধ্যে ২৫টি বিক্রির জন্য লটারি করেছিল। সেগুলোর মধ্যে লটারি করে ২৫ জনকে ঘাট দেওয়া হয়। বাকি ১০টি ঘাট সংরক্ষিত। তবে তা বিনামূল্যে নয়। সবগুলো ঘাটই বিক্রি হয়েছে। মাছ শিকারের জন্য ঘাট বিক্রি করে কেসিসি সাড়ে ১৭ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। একটি ঘাট কিনলে ক্রেতা তিনদিন মাছ ধরতে পারবেন। সেই তিন দিন হচ্ছে- শুক্রবার (১৯ নভেম্বর), ৩ ডিসেম্বর (শুক্রবার) ও ১৭ ডিসেম্বর শুক্রবার।

খুলনার দিঘলিয়া থেকে ৫-৬ জনের একটি টিম নিয়ে এসেছেন মো. ইয়াকুব আলী। তিনি বলেন, বড়শিতে তেমন মাছ উঠছে না। তিন দিন মাছ ধরা যাবে। আজ প্রথম দিন। মাছ ধরতে এসে খুব ভালো লাগছে। বড় মাছ ধরার চেষ্টা চলছে। ১ থেকে ১০ কেজির মাছ রয়েছে এখানে। বড় মাছ ধরতে পারলে পুরস্কার রয়েছে। ভোর ৫টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১০/১১টি মাছ ধরেছি।

এ দিকে ঐতিহাসিক শহীদ হাদিস পার্কে মাছ শিকার দেখতে এসেছেন খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল। তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী এ পার্ক খুলনার একেবারেই প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। এই পার্কে মাছ শিকারের আয়োজন করা হয়েছে। আজ বন্ধের দিন তাই উৎসাহী মাছ শিকারি ও জনগণ এখানে এসেছেন। একটা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। খুলনা সিটি করপোরেশনকে ধন্যবাদ জানাই এই আয়োজনের জন্য। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে সেটাই প্রত্যাশা।খুলনার ঐতিহাসিক হাদিস পার্কে মাছ ধরা দেখতে এসেছেন নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার ইমরান হোসেন। তিনি বলেন, দারণ এক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এক মনোরম পরিবেশ। তবে সেই তুলনায় মাছ উঠছে না। আশা করি পরবর্তী সময়ে মাছ উঠবে। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মো. আলী আকবর টিপু বলেন, হাদিস পার্কের পুকুরে সৌখিন মৎস্য শিকারিরা ৩৫টি ঘাট কিনেছেন। প্রতিটি ঘাটের মূল্য ৫০ হাজার টাকা। শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে মৎস্য শিকার চলছে। মানুষের উপস্থিতি আয়োজনকে সার্থক করেছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯