বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বকেয়া বেতনের দাবিতে বরিশালে ফরচুন সু লিঃ শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ আগৈলঝাড়ায় বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ছদ্মবেশী নারী দাঁড় করিয়ে জমি বিক্রির অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত ও দলিল বাতিলের দাবি সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চরফ্যাশনের ইউএনও রোমান আফরোজ বরিশাল সদরের চরকরজিতে সরকারি খাল ও চরের মাটি কাটার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র!
বিশ্বের সবচেয়ে দামি বার্গার! মহামারীর করোনাকালীন সময়ে বিক্রি

বিশ্বের সবচেয়ে দামি বার্গার! মহামারীর করোনাকালীন সময়ে বিক্রি

অনুসন্ধান ২৪ অনলাইন নিউজ >> বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারী চলাকালে অনেক ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। অর্থনৈতিক দুর্দশার মধ্যেও পড়েছেন অনেকে। এর মধ্যে টিকে থাকার প্রয়োজনে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছেন কেউ কেউ। তাদেরই একজন নেদারল্যান্ডসের রেস্তোরাঁ মালিক রবার্ট জ্যান ডি ভিন। মহামারীতে তিনি আবিষ্কার করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি হ্যামবার্গার। শুধু তা-ই নয়, এ বার্গার বিক্রির অর্থ দাতব্য খাতে ব্যয়ও করছেন তিনি। গত ২৮ জুন নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বহুসমন্বিত ব্যবসা রেমিয়া ইন্টারন্যাশনালের কাছে এটি বিক্রি করা হয়। রয়্যাল ডাচ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রবার উইলেমসে এটি খান।

৫ হাজার ৯৬৪ ডলার দামের এ হ্যামবার্গারের নাম রাখা হয়েছে দ্য গোল্ডেন বয়।

বেশ কয়েক স্তরের বার্গারটিতে ছিল দামি দামি সব উপকরণের সমাহার। যেমন জাপানি ওয়াগু গরুর মাংস, বেলুগা ক্যাভিয়ার, আলাস্তার কিং কাঁকড়া ও সাদা ট্রাফল। বার্গার তৈরির জন্য যে রুটি ব্যবহার করা হয়েছে, তা মোড়ানো ছিল খাদ্যোপযোগী সোনার পাতলা আবরণ দিয়ে।

বার্গার বিক্রি করে পাওয়া অর্থ নেদারল্যান্ডসের খাদ্য ব্যাংকভিত্তিক একটি অলাভজনক সংগঠনকে দান করেছেন রবার্ট জ্যান ডি ভিন। এর মাধ্যমে দাতব্য সংগঠনটি অভুক্ত মানুষের জন্য অন্তত এক হাজারটি খাদ্যসহায়তা প্যাকেজ তৈরি করতে পারবে।

৩৩ বছর বয়সী ভিন বলেন, রেস্তোরাঁগুলো মহামারীর কারণে বন্ধ। কেবল টেকঅ্যাওয়ে সার্ভিস চালু রয়েছে। কিন্তু খাদ্য তৈরির ক্ষেত্রে কোনো প্রতিযোগিতা না থাকায় তিনি বেশ বিরক্ত হচ্ছিলেন। সেইসঙ্গে চারপাশে দরিদ্র মানুষের অবস্থা দেখেও কষ্ট পাচ্ছিলেন তিনি। সেখান থেকে উত্তরণেই এ হ্যামবার্গার তৈরি ও বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন ভিন।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বের সবচেয়ে দামি বার্গারটি তৈরি করতে চেয়েছিলাম। সেইসঙ্গে এটি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ সমাজের মানুষের প্রয়োজনে ব্যয় করতে চেয়েছিলাম।

এজন্য বিভিন্ন আর্কাইভ ও গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা ও অনুসন্ধান করেন তিনি। দেখতে পান এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দামি বার্গারটি বিক্রি হয়েছে ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের এক রেস্তোরাঁয়। তার ওজন ছিল ৩৫২ দশমিক ৪ কেজি। দাম ছিল ৪ হাজার ২০০ ইউরো। এত ওজনদার বার্গারটি নিশ্চিতভাবেই একজন মানুষের জন্য তৈরি করা হয়নি। তখন কেবল একজন মানুষের উপযোগী করে নতুন রেসিপির সবচেয়ে দামি বার্গার তৈরির চ্যালেঞ্জ নেন ভিন।

বার্গারের ভেতরে কোন কোন উপাদান ব্যবহার করা হবে তা চূড়ান্ত করতে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় লেগেছে ভিনের। রেসিপি ও উপাদান চূড়ান্ত হওয়ার পর বার্গারটি তৈরি করতে প্রায় ৯ ঘণ্টা সময় লাগে। রবার্ট ভিন বলেন, এতে সংযুক্ত প্রতিটি উপাদানের স্বাদ একে অন্যকে পরিপূর্ণ করে। স্বাদগুলো খুবই স্বতন্ত্র। তবে যত দামিই হোক না কেন, বার্গারটি খেতে আপনাকে অবশ্যই হাতের ব্যবহার করতে হবে। যেহেতু বার্গারের রুটিগুলোতে সোনার পাতলা আবরণ থাকে, তাই খাওয়া শেষে আপনার হাতের আঙুলগুলো সোনালি রঙ ধারণ করতে পারে।

বার্সেলোনাভিত্তিক ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অ্যাসোসিয়েশনে নিবন্ধনের জন্য বার্গারটির তথ্য পাঠানো হয়েছে। এটি এখনো পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ভিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল কোনো না কোনো ক্ষেত্রে বিশ্বরেকর্ড গড়ার। অবশেষে আমি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি। গত বছর কভিড-১৯ রোগের কারণে খুবই খারাপ কেটেছে। কিন্তু ভালো সময় শুরু হয়েছে। শিগগিরই গোটা পরিষেবা শিল্প ঘুরে দাঁড়াবে।

ভিনের রেস্তোরাঁটির যাত্রা হয় ৩০ বছর আগে। তার বাবা-মা এটি শুরু করেছিলেন। এখন সফলভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভিন। এখন তার অপেক্ষা দ্য গোল্ডেন বয়ের জন্য দ্বিতীয় ক্রেতা খুঁজে বের করা। আশা করছেন শিগগিরই নতুন ক্রেতার দেখা পাবেন তিনি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯