শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালে করোনা প্রতিরোধে প্রথম সাড়ির যোদ্ধা হিসাবে সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের টেকনোলজিস্ট বিভূতি ভূষণ হালদার (৩০)। করোনাভাইরাস পরীক্ষায় শেবাচিম হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে দায়িত্ব পালন বণ্টন হলে অন্যান্য টেকনোলজিস্টরা নানান অজুহাত দেখিয়ে তাদের নাম প্রত্যাহার করিয়ে নেন নমুনা সংগ্রহকারীর তালিকা থেকে। শেষ পর্যন্ত বিভূতি ভূষণ একাই এ দায়িত্ব কাঁধে নেন। তিনি এ পর্যন্ত শেবাচিম হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ২৭১ জন সন্দেহভাজন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করেছেন।
এ সাহসী কর্মের জন্য ফ্রন্টলাইনের করোনাযোদ্ধা হিসেবে নিজের পরিচিতি ছড়িয়েছেন বিভূতি ভূষণ। তার কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ও আরো সাহস যোগাতে রবিবার বিকালে তাকে পুরস্কৃত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান টেকনোলজিস্ট বিভূতি ভূষণ হালদারকে ২০ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড এবং রকমারি ফলের একটি ঝুড়ি উপহার দিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের পক্ষে সহকারী কমিশনার রবীন শীষ রোববার বিকালে এ পুরস্কার পৌঁছে দেন। একই দিন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবউদ্দিন খানের পক্ষে তার স্টাফ অফিসার আব্দুল হালিম নগদ ৫ হাজার টাকা, ২ সেট গ্লোভস, ২টি মাস্ক ও ১টি পিপিই এবং ২ ঝুড়ি ফল উপহার দেয়া হয় টেকনোলজিস্ট বিভূতি ভূষণকে।
উপহার সামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বাসিত বিভুতি ভূষণ বলেন, যে কোন পুরস্কার আনন্দের। পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের পাঠানো পুরস্কার তার আত্মবিশ্বাস এবং কাজের গতি আরও বাড়াবে। ভাল কাজের স্বীকৃতি পাওয়া গেলে ভয়কে জয় করে অনেকেই দুঃসাহসিক কাজে অনুপ্রাণিত হবে বলে আশা করেন তিনি।