শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধি :: মাদারীপুর সদর হাসপাতালের ল্যাব সহকারী মিন্টু সরদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে দায়েরকৃত অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুদক। পরবর্তী কার্যক্রমের অংশ হিসাবে মিন্টু সরদারকে তার সম্পদ বিবরনী দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে। ফরিদপুর জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে বলে জানা গেছে।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের ল্যাব সহকারী মিন্টু সরদার দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর একই স্থানে চাকরি করার সুবাদে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পরেন। গরীব ঘরের সন্তান হয়ে শুধুমাত্র তৃতীয় শ্রেণির চাকুরে হয়েও দুর্নীতি করে লাখ লাখ টাকা কামিয়েছেন। চাকরির সুবাদে তিনি মালিক হয়েছেন ৩টি মাইক্রোবাস, ২টি অ্যাম্বুলেন্স, ১টি প্রাইভেটকারের।
এছাড়াও তিনি মোটরসাইকেল এর একটি শো রুম করে ওই ব্যবসাটিও পরিবর্তন করে এখন অন্য ব্যবসা করছেন। কালকিনিতে ৪০ শতাংশ জমির উপর দোতালা একটি বাড়ি করেছেন। একটি প্লট কিনেছেন ৫০ লাখ টাকায়। এছাড়া মাদারীপুর শহরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকেও তার শেয়ার রয়েছে।
মাদারীপুরে ল্যাব সহকারী মিন্টু সরদারের বিরুদ্ধে আদালতে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দায়ের হলে আদালত মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রেরণ করে। মামলা দায়েরের পর মিন্টু সরদারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বর্তমানে বরখাস্ত হয়েও প্রভাব খাটিয়ে মিন্টু হাসপাতালে কাজ করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যপারে মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা. সফিকুল ইসলাম জানান, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ল্যাব সহকারী মিন্টু সরদারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কাজে নয় হাজিরা দিতে সে হাসপাতালে আসে, হাসপাতালে তার কাজ করার কোন সুযোগ নাই।
অভিযোগের ব্যাপারে মিন্টু সরদার বলেন, আমার প্রতিপক্ষ উদ্যেশ্যমূলকভাবে আমাকে হয়রানি করার জন্য অভিযোগ দিয়েছে।