রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার ঘটনায় আরো সাতজনের সম্পৃক্ততা থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাজহাট আমলী আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আবু সাঈদ হত্যা মামলার প্যানেল আইনজীবী রোকনুজ্জামান রোকন জানান, গত ১৪ অক্টোবর আবু সাইদ হত্যা মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই মো. রমজান আলী এই সাতজনের সম্পৃক্ততা থাকার বিষয়টি আদালতকে লিখিতভাবে প্রদান করে ছবি ও সিসিটিভির ফুটেজ জব্দ গ্রহণের আবেদন করেন। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে সাতজনের সম্পৃক্ততা থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।
সেই সাতজন হলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশিদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বর্তামানে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মো. শাহ নুর আলম পাটোয়ারী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী নুরুন্নবী, সুরতহাল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম ও সুরতহাল রিপোর্টের প্রতি স্বাক্ষরকারী কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহামেদ সাদাত।
তিনি বলেন, আদালতের এ আদেশের মাধ্যমে অজ্ঞাতনামা আসামিদের মধ্যে অত্র আসামিরা আবু সাঈদ হত্যা মামলার সরাসরি সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণপত্র ছবি দেখেন। পরে শুনানি শেষে তাদের সম্পৃক্ততা থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।
গত ১৮ জুলাই আবু সাঈদের বড় ভাই মো. রমজান আলী বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১৩০/১৩৫ জনকে আসামি করে রংপুর মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ ঘটনায় এএসআই আমীর আলী ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে গ্রেফতার করে। অন্য একটি মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লা আল-মামুন গ্রেফতার হন।
আরও পড়ুন