শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যার অভিযোগে ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও তৌহিদ জং মুরাদসহ আওয়ামী লীগের ১১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে।
নিহত শিক্ষার্থী আস-সাবুরের চাচাতো ভাই সাহিদ হাসান মিঠু গতকাল শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়া থানায় মামলাটি করেন।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (৫৫), আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. তৌহিদ জং মুরাদ, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হাসান তুহিন (৫৪) ও তার বাবা সাভার পৌরসভার মেয়র আব্দুল গনি, পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ান (৬১), আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাবউদ্দিন মাদবর (৫৮), ইয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভূইয়া (৫০), সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার (৭০) ও আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার (৫২)। এই আসামিদের সবাই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও কর্মী।
আস-সাবুর (১৬) নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর থানার মহাদেবপুর গ্রামের নায়েদ জাকিরের ছেলে। সে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়ার শিমুলতলা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া থেকে জামগড়া শাহীন স্কুলের দশম শ্রেণিতে লেখাপড়া করত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে আস-সাবুর নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করার জন্য শিমুলতলা থেকে বাইপাইলে যায়। পরে দুপুর ২টার দিকে মামলার বাদী খবর পান যে তার ভাই আস-সাবুর মৃত অবস্থায় বাইপাইল মোড়ে পড়ে আছে।
খবর পেয়ে লোকজন নিয়ে বাইপাইল মোড়ে গিয়ে তিনি দেখেন, তার ভাইয়ের ক্ষত-বিক্ষত নিথর মরদেহ পড়ে আছে। আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা তাকে পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দিনব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশসহ মোট ৪৪ জন নিহত হয়েছেন।
আরো পড়ুন