শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বকেয়া বেতনের দাবিতে বরিশালে ফরচুন সু লিঃ শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ আগৈলঝাড়ায় বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ছদ্মবেশী নারী দাঁড় করিয়ে জমি বিক্রির অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত ও দলিল বাতিলের দাবি সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চরফ্যাশনের ইউএনও রোমান আফরোজ বরিশাল সদরের চরকরজিতে সরকারি খাল ও চরের মাটি কাটার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র!
২২ কোটি টাকা আত্মসাৎ ভিকারুননিসায় সম্মানির নামে

২২ কোটি টাকা আত্মসাৎ ভিকারুননিসায় সম্মানির নামে

অনুসন্ধান ২৪ ডেস্ক >> রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের নানা খাতে অর্থ লোপাটের উৎসব চলে সব সময়। পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক-কর্মচারীরা মিলেমিশে এ অর্থ ভাগ-বাটোয়ারায় ব্যস্ত সময় পার করেন। তিন গ্রুপের এ চক্রটি সম্মানির নামে বিগত পাঁচ বছরে ২১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেছেন। যার কোনো উৎস কর জমা দেয়া হয়নি।

প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন কেনাকাটা, অবকাঠামো নির্মাণ কাজে হরিলুটের ঘটনার প্রমাণ মিলেছে। দরপত্র অনুযায়ী টিকাদার আসবাবপত্র সরবরাহ না করলেও বিল দেওয়া হয়েছে। আবার দরপত্র ছাড়াই কোটি টাকার কাজ দেওয়া হয়েছে এক ঠিকাদারকে। ওই কাজের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষিত কোনো নথি নেই প্রতিষ্ঠানটিতে। শিক্ষকদের পুরস্কার দেওয়ার নামে ‘পুকুর চুরি’র ঘটনা ঘটেছে। নিয়ম অনুযায়ী বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন না করে অধ্যক্ষ নিজেই ইচ্ছামত প্রতিষ্ঠানের টাকা খরচ করেন।

প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন স্থাপনা বাবদ আদায়কৃত ভাড়া টাকা থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা রাজস্ব জমা দেওয়া হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) এক তদন্ত প্রতিবেদনে বিভিন্ন খাতে লুটপাটের এ চিত্র বেরিয়ে এসেছে। প্রতিবেদনে অবৈধভাবে খরচ করা অর্থ ও ফাঁকি দেওয়া রাজস্ব আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রীদের কাছ থেকে আদায়কৃত টিউশন ফিসহ নানা বিষয়ে প্রতিবেদনে উঠে আসেনি।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নামি এ প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় হিসাব সংক্রান্ত সকল রেকর্ডপত্র যাচাই করে বিভিন্ন খাতে খরচ করা অর্থ থেকে ভ্যাট আদায় করা হয়নি। ২০১৫-১৬ অর্থ বছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থ বছর পর্যন্ত ভ্যাট বাবদ সরকারি কোষাগারে জমাযোগ্য টাকার পরিমান এক কোটি ৩৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৬২ টাকা। এর মধ্যে এক কোটি ৭১ হাজার ৬১৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। বাকি ৩৯ লাখ ২২ হাজার ৫৪৭ টাকা জমা দেয়া হয়নি। এসব অর্থ ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে চালানের কপি মন্ত্রণালয়ে দাখিল করার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থ বছর থেকে গত অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির গভর্ণিং বডির সদস্য, অধ্যক্ষসহ সকল শিক্ষক-কর্মচারি মোট ২১ কোটি ৮৭ লাখ ৩৮ হাজার ২৩২ টাকা সম্মানি হিসেবে নিয়েছেন। কিন্তু এ টাকার উৎস কর পরিশোধ করেননি। তদন্ত প্রতিবেদনে যা সরকারি রাজস্ব ফাঁকি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উৎস কর আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

জানা যায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই দিন ডিআইএ’র শিক্ষা পরিদর্শক মোহাম্মদ মনকিউল হাসনাত, সহশিক্ষা পরিদর্শক সোহেল আহমেদ ও রাকিবুল হাসান, অডিট অফিসার সুলতান আহম্মদ তদন্ত করেন। তাদের তদন্তকালে ২০২০-২১ অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব সংক্রান্ত কোন রেকর্ড দাখিল করা হয়নি। যে কারণে তারা ওই অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব যাচাই করতে পারেননি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিকারুনিসার বসুন্ধরা শাখার ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলার নির্মাণ কাজে এক কোটি ৫৯ লাখ ১১ হাজার ৩৬৯ টাকা অনিয়মিত খরচ করা হয়েছে। ভবন নির্মাণ, স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিক কাজে এ টাকা খরচ করা হয়েছে। বার্ষিক কর্মসূচিতে অর্ন্তভুক্ত না করেই এ কাজ করা হয়েছে। টেন্ডারের কোন কাগজপত্রও নেই। সিডিউল ও ঠিকাদারের দাখিলকৃত দরের কোন কাগজপত্র নেই। ঠিকাদার দুই দফা রানিং ও চূড়ান্ত বিল তুলে নিলেও তাদের নিজস্ব প্যাডে জমা দেওয়া বিল নেই। এক কোটি ৫৯ লাখ ১১ হাজার ৩৬৯ টাকার কাজের মধ্যে সিডিউল ছাড়া খরচ করা হয়েছে এক লাখ ৮৭ হাজার ৭৪৯ টাকা। কাজের বিস্তারিত তথ্যযুক্ত বিল ও পরিমাপ বই (এমবি) না থাকায় বাস্তবে কতটুকু কাজ হয়েছে তা অস্পষ্ট। সঠিকভাবে কাজ করা হয়েছে কিনা তার সনদ নেই। ভবন নির্মাণে বুয়েট কর্তৃক রড ও সিমেন্টের গুনগত মানের পরীক্ষার রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়নি।

ডিআইএ’র তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভিকারুননিসার জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। আর ওই আদায়কৃত ভাড়ার টাকা হতে রাজস্ব ভ্যাট কর্তন করে সরকারি তহবিলে জমা দেয়া হয়নি। প্রতিবেদনে ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে গত অর্থবছর পর্যন্ত ৪৫ লাখ ২৮ হাজার ৩১৮ টাকা রাজস্ব ভ্যাট আদায় করে সরকারি কোষাকারে জমার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দরপত্র অনুযায়ী আসবাবপত্র বুঝে না পেয়েও জুটো ফাইবার গ্লাস নামক প্রতিষ্ঠানকে তিন লাখ ৬৬ হাজার টাকা বাড়তি পরিশোধ করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ১ জুন ও ১৯ জুন তারিখে দাখিল করা দুই দফা চালানের মাধ্যমে মোট ১৩০ জোড়া হাইবেঞ্চ সরবরাহ করে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে প্রতিষ্ঠানটি একই বছরের ১৯ জুন লিখিতভাবে জানিয়েছে তারা ১২০ জোড়বেঞ্চ সরবরাহ করেছে। স্কুলে জমাকৃত বিলভাউচার ও ঠিকাদারের তথ্যে গড়মিল রয়েছে। প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত বিলভাউচার অনুযায়ী ১৩০ জোড় বেঞ্চ সরবরাহ করা হলেও ৬০ জোড়া বেঞ্চ না দিয়েই ঠিকাদারকে বাড়তি তিন লাখ ৬৬ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে এসব টাকা আত্মসাত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করে তা ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে। আসবাবপত্র ক্রয় বাবদ ১২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা অনিয়মিত খরচ করা হয়েছে। এ টাকা আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন মতে, প্রতিষ্ঠানটির মেইন ক্যাস্পাস বেইলী রোডের স্কুল শাখার সীমানা প্রাচীর সংস্কার, মেরামত ও রং করার কাজে মেসার্স আদিবা কনস্ট্রাকশনকে চার লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৮ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। টেন্ডার ছাড়াই ঠিকাদার দুই হাজার বর্গমিটার বাড়তি কাজের জন্য বিল দাবি করেন। ঠিকাদারের চাহিদা সংশোধন করে টেন্ডার ছাড়া এক লাখ ৭১ হাজার ৭২৭ টাকা পরিশোধ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এ টাকা পরিশোধ করা হলেও ঠিকাদারের বিলভাউচার স্কুলে পায়নি তদন্ত দল। এ কাজে প্রতি বর্গমিটার ৩০ টাকা দরে সিডিউল দাখিল করেন টিকাদার। কিন্তু বিল দেওয়া হয়েছে ২২৮ টাকা দরে। অতিরিক্ত বিল বাবদ অর্থ আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। ২০১৯ সালে বার্ষিক খেলাধুলার সামগ্রী বহু দোকান থেকে কেনার ভাউচার জমা দেওয়া হলেও একটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে বিল দেওয়া হয়েছে। আদৌ খেলাধুলা সামগ্রী ক্রয় করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে। খেলাধুলায় সামগ্রী কিনতে দুই লাখ ৫৬ হাজার ৩২৬ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সালের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে এক লাখ পাঁচ হাজার ৮৩০ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। এরমধ্যে শিক্ষকদের পুরস্কার বিতরণের নামে ৩২ হাজার ৯০০ টাকা অপচয় করা হয়েছে।

এদিকে ডিআইএ’র সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের ক্ষেত্রে ডিআইএ’র প্রধান কাজ হলো- শিক্ষকদের সঠিকভাবে নিয়োগ হয়েছে কিনা, তাদের সনদ যাচাই, শিক্ষকদের সম্মানি সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে কিনা, প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, অনুমোদিত আসন অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে কিনা এসব নানা বিষয়। ভিকারুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কিন্তু প্রতিবেদনে তা উঠে আসেনি। জানা গেছে, তদন্তকালীন সময়ে ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন প্রফেসর ফৌজিয়া। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সাত মাস আগে চলে এসেছে। ঢাকা শিক্ষাবোর্ড, ডিআইএসহ বিভিন্ন তদন্ত হচ্ছে। তদন্ত চলাকালীন আমি কোনও বিষয়ে মন্তব্য করবো না। তবে আমার সময়ে বসুন্ধরা শাখায় ভবন নির্মাণের কোন কাজ হয়নি।

প্রতিবেদেন আরো বলা হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে গত অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করেনি। প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের উপর ভিত্তি করে বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করা হয় না। বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন না করে অধ্যক্ষ নিজেই ইচ্ছামত প্রতিষ্ঠানের টাকা খরচ করেন। প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের উপর বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করে তা পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদন করে খরচ করা হলে আর্থিক অনিয়মের শঙ্কা কম থাকে মন্তব্য করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিআইএ প্রণিত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করবেন। আয়ের সাথে সংগতি রেখে বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন ও অনুমোদন করাবেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। অনুমোদিত কাজের উপর ভিত্তি করে সকল প্রকার লেনদেন করতে হবে।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অধ্যক্ষ কামরুন নাহার বলেন, আমার কাছে যা যা তথ্য চেয়েছে সবই তাদের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন কেন করা হয় না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের স্থায়ী হিসাব রক্ষক নেই। একজন মাস্টার রোলে কাজ করেন। তিনি দুই দফা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যে কারনে বাজেট তৈরি করা সম্ভব হয়নি। বর্তামানে বাজেট তৈরির কাজ চলছে।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে ডিআইএ’র পরিচালক প্রফেসর অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর বলেন, আমাদের অডিট টিম ভিকারুননিসার বিভিন্ন কেনাকাটায় বড় ধরনের অনিয়ম পেয়েছে। রাজস্ব ফাঁকির অঙ্কও অনেক বড়। খাতভিত্তিক অর্থ আদায়সহ রাজস্ব জমা দেওয়ার সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভিকারুননিসার বিষয়ে অনেক তদন্ত হয়েছে। এবার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমরা শুধু আর্থিক বিষয়ে তদন্ত করেছি। সেজন্য আর্থিক খাতের আয়-ব্যয়ের ওপর অডিট করা হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯