সোমবার, ০৮ Jun ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪>> নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: সাগর কন্যা খ্যাত পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পর্যটকের উপস্থিতিতে সরগরম। গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি, সেই সঙ্গে রমজানের আগে পরিবার পরিজন নিয়ে অনেকেই এসেছেন অবকাশ যাপনে। পর্যটকদের এমন ভিড়ে বুকিং রয়েছে কুয়াকাটার শতভাগ হোটেল-মোটেল।
শুক্রবার সারা দিন এবং শনিবার সকাল থেকেই ঝাউবন, লেম্বুরবন, লাল কাঁকড়া, গঙ্গামতি, ইলিশ পার্ক, মিশ্রিপাড়া বৈদ্যমন্দিরসহ কুয়াকাটার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বর্মিজ মার্কেটসহ সৈকত সংলগ্ন দোকানগুলোতে পর্যটকদের আকর্ষণীয় পণ্যসামগ্রী সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। ঘুড়ি ও ফুল বিক্রেতাসহ ফটোগ্রাফাররা পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্যুর গাইডসহ মোটরসাইকেল চালকেরা বিভিন্ন অফার ঘোষণা করে যাচ্ছেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে বেড়েছে পর্যটকদের বাড়তি আনাগোনা। আগত পর্যটকেরা সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালিতে মেতেছেন। অনেকে আবার উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় পর্যটন স্পটগুলোতে মোতায়েন রয়েছে মহিপুর থানা-পুলিশ, কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা।
চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক সোহাগ রহমান ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে বেড়াতে এসেছি। বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে দেখেছি। সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত উপভোগ করেছি। বাচ্চারা অনেক আনন্দ উপভোগ করেছে।’ সোহাগ রহমান আরও বলেন, সৈকতের পরিচ্ছন্নতার দিকে আরও মনোযোগী হওয়া দরকার।
‘পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণে আমাদের সংগঠন সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করে থাকে।’ বলেন, কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশনের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, এ সপ্তাহে আবাসিক হোটেলগুলোর রুম ফাঁকা নেই। আরও এক মাস আগে অনেক হোটেল বুকিং হয়েছে।
খুলনা থেকে আসা অপর পর্যটক মুনিম খান বলেন, এখানকার খাবার এবং হোটেল ভাড়া অনেক বেশি। এভাবে অতিরিক্ত দাম রাখলে পর্যটকেরা এখানে আসার আগ্রহ হারাবে। ‘দুই দিন অনেক পর্যটক আসায় আমরা অনেক খুশি। ব্যবসার অবস্থা অনেক ভালো।’ বলেন, এক হোটেলের ব্যবস্থাপক সান্টু মিয়া।
টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ বলেন, ‘প্রতিটি পয়েন্টে আমাদের টিম সার্বক্ষণিক নিয়োজিত। পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে। আমরা ক্রাউড (ভিড়) সময়গুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করি।’