শুক্রবার, ২৪ Jul ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদন>>কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সমাপ্ত প্রকল্প ‘স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’ থেকে চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন ৭৭৭ জন কারিগরি শিক্ষক।
এই কর্মসূচি থেকে ১৯ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিও জানাচ্ছেন তারা।গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন কারিগরি শিক্ষকরা।
দাবি আদায়ে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে সেখানে আমরণ অনশনে বসেছেন প্রকল্পের আওতাধীন শিক্ষকরা। ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, কারিগরি শাখা’র ব্যানারে তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন।
কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু বলেন, ‘সব নিয়োগ বিধি মেনে এ শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা সরকারের একটি অগ্রাধিকার খাত।
সংগঠনের সভাপতি সুমন হায়দার বলেন, ‘আমরা আমাদের ১৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধসহ বেতন চালু রাখার জন্য আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ব্যর্থ হয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদিত অনুশাসন দীর্ঘ আড়াই বছরেও বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে আমাদের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরও ঝুলে আছে।
সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওমর ফারুক বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী আমাদের আশ্বাস প্রদান করলেও আমরা কোনো উদ্যোগ ও কর্মপরিকল্পনা আমাদের চোখে পড়েনি তাই আমরা আমরণ অনশনে বসেছি। আমাদের দাবি সম্পূর্ণরূপে না মানা পর্যন্ত আমরা অবস্থান করব।’
কর্মসূচিতে মুক্তিযোদ্ধা, ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস- বাংলাদেশ (আইডিইবি), আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কেন্দ্রীয় সংসদ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ), বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশল পরিষদ, আইডিইবির পিডিবি, এলজিইডি শাখাসহ দেশের বিভিন্ন সংগঠন সংহতি জানায়।
দেশের সরকারি ৪৯টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মানোন্নয়ন ও শিক্ষক স্বল্পতা দূরীকরণের লক্ষ্যে ২০১০ সালের জুলাই মাসে ‘স্কিলস এ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (স্টেপ)’ শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটি ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হয়।
এজন্যে প্রকল্পের শিক্ষকদের পাঠদান অব্যাহত রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এরপর প্রকল্প শেষে এক বছর তাদের বেতনও পরিশোধ করা হয়। কিন্তু ২০২০ সালের জুলাই থেকে বেতন বন্ধ রয়েছে।