শনিবার, ২৫ Jul ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদন>>দীর্ঘদিনের একাকী জীবন, ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই, ব্যবসায় লোকসানসহ একাকিত্ব থেকে চরম অবসাদগ্রস্ত হয়ে বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে আত্মহত্যা করেন ৫৮ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবু মহসিন খান।
কিন্তু এর মূল সংকটটা মানসিক স্বাস্থ্যের। এ বিষয়টি হয়তো তিনি অনুধাবন করতে পারেননি বা আশপাশের লোকজনও তা টের পাননি। মূলত বিষণ্ণতা, উদ্বিগ্নতা, সাইকোসিস, মাদক, সহিংসতা, অবহেলা, বেকারত্ব, শারীরিক অসুস্থতা ছাড়াও বিষণ্ণতার কারণে একজন মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
সাদা চোখে, আপাতদৃষ্টিতে বুধবার রাতে যে দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে, এটার জন্য হয়তো তার একাকিত্ব বা আর্থিকভাবে প্রতারণার শিকার হওয়াটাকেই দায়ী মনে করেছে, তা মোটেও ঠিক নয়।
তেমনি করে মনের যত্ন নিতে হবে। ‘এমটিনেস্ট সিনড্রোম’ যেন কাজ না করে, এ বিষয়ে পরিবারের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। পশ্চিমা বিশ্বে প্রবীণদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। তারা এসব নিয়ে নানা পর্যায়ে কাজ করছে। আমাদের সবাইকেও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হওয়াটা জরুরি।