বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির নারায়ণগঞ্জ ভূমি বারান্দায় প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহপাঠীর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সারাদেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন আবারও হামলা সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে কুষ্টিয়া ইবি শিক্ষিকাকে কুপিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন করে উদ্যোগ শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে: চিফ প্রসিকিউটর মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের শক্তি প্রদর্শন ইসরাইলের লাশের হাহাকার চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পরীক্ষার সময় টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী: শিক্ষামন্ত্রী ৩ মিনিটে ২ গোল চীনকে চমক দিলো বাংলাদেশ মেট্রোরেল ও ট্রেন ভাড়ায় ছাড় পাবেন যারা আজ দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন
ভোলায় জেলেদের চাল রাঘববোয়াল চেয়ারম্যানের পেটে!

ভোলায় জেলেদের চাল রাঘববোয়াল চেয়ারম্যানের পেটে!

অনলাইন ডেস্ক :: ভোলার মনপুরা ইউপি চেয়ারম্যান আমানত উল্যাহ আলমগীরের বিরুদ্ধে জেলেদের ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওর কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়ার ১৯০ কিলোমিটার নদীতে দুই মাস ইলিশ ধরা বন্ধ ছিল।

নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারিভাবে নিবন্ধিত প্রত্যেক জেলেকে চার মাসে ৪০ কেজি করে ১৬০ কেজি চাল দেয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারি-মার্চে ৮০ কেজি করে চাল দেয়ার কথা। কিন্তু ৩০ থেকে ৬০ কেজি করে চাল দেন ইউপি চেয়ারম্যান আমানত উল্যাহ আলমগীর। এছাড়া ৮০ কেজি করে চাল দেয়া হচ্ছে এমন তালিকায় জোর করে জেলেদের টিপসই নেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি চাল বিতরণের সময় দেখা গেছে, কার্ডধারী জেলেরা চাল নিতে এসে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বাড়ি ফিরে যান।

এ সময় কথা হয় ভুক্তভোগীদের সঙ্গে। তারা জানান, যারা কখনো জেলে পেশায় ছিলেন না তাদেরও চাল দিচ্ছেন চেয়ারম্যান-মেম্বাররা। কিন্তু তারা প্রকৃত জেলে হয়েও পাননি।

ওই ইউপির বিভিন্ন গ্রাম থেকে চাল নিতে আসা জেলে জয়নাল আবেদিন, নাসির, মাইন উদ্দিন, আজিজ মাঝিসহ কয়েকজন জানান, তাদের ৩০ কেজি ওজনের একটি করে বস্তা দেন চেয়ারম্যান আলমগীর। বাবি চাল চেয়ারম্যান রেখে দেন।

চাল বিতরণে তদারকির দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, জেলেদের একটি করে বস্তা দিয়েছেন চেয়ারম্যান। তাদের চাল কম দেয়া হয়নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াছ মিয়া জানান, মনপুরা ইউপির ৮০১ জন নিবন্ধিত জেলের জন্য দুই মাসে ৬৪.৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এসব চাল নিবন্ধিত প্রত্যেক জেলেকে ৮০ কেজি করে চাল দেয়ার কথা।

ওজনে চাল কম দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান আমানত উল্যাহ আলমগীর বলেন, ট্যাগ অফিসার ও ইউপি সচিবের উপস্থিতে সরকারি নিয়ম অনুয়ায়ী কার্ডধারী জেলেদের চাল দেয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি। কেউ ওজনে কম পেলে তা সামান্য।

চাল না পেয়ে জেলেরা ফিরে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ ইউপিতে ২২শ’ জেলে রয়েছে। কিন্তু ৮০১ জনের চাল বরাদ্দ পেয়েছি। বাকি জেলেদের চাল এলে দেয়া হবে।
মনপুরার ইউএনও বিপুল চন্দ্র দাস বলেন, চাল বিতরণে কম দেয়ার বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রমাণ মিললে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯