শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধি :: বাকেরগঞ্জ ২নং চরাদি ইউনিয়নের মোল্লা বাড়িতে সন্ত্রসী হামলা ভাংচুর ও বাপ বেটার লুটতরাজ। স্বামী স্ত্রীরির মধ্যে ভুল বুজি বুজি নিয়ে মেয়ের বাব ভাইমিলে মেয়ের শশুর বাড়িতে সন্ত্রসী হামলায় শাশুরি নোনতসহ বাড়ির লোজন আহত হয়েছে এবং ভাংচুর ও লুটতরাজের ঘটানা ঘটেছে।
গত মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিকাল ৪টা পনের মিনিটের সময় উপজেলার ২নং চরাদি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শাখায়েত মোল্লা বাড়িতে এ ঘটানা ঘটে। এ ব্যাপারে স্বামী শাখায়েত মোল্লা বাকেরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এবং বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মোল্লা শাখায়েত হোসেন স্ত্রী সন্তান তার বৃদ্ধা মা ও বোনকে নিয়ে সুখে সংসার করে আসছিল কিন্তু তার স্ত্রী ঝুমুর বেগম (২২) বৃদ্ধা মা বোনকে নিয়ে এক সাথে সংসার করবেনা বলে স্বামীর সংসার ছেড়ে অনেক বার বাবার সংসারে চলে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শাখায়েত বলেন, আমি বহু দৈয্য ধড়েছি আমার সাত মাসের সন্তানের মৌখে দিকে তাকিয়ে কিন্তু আমার স্ত্রী কোন ভাবেই আমার বৃদ্ধা মা ও ছোট বোনকে মেনে নিতে পারেনা। সে আরো বলেন, আমার বোনের বিবাহ ঠিক হয়েছে আমার স্ত্রী তার বাপ ভাইয়ের কথা ছাড়া কোন কাজ করেনা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে আমার বোনের বিবাহের জন্য রেখে দেওয়া টাকা আত্মসাত করে।
ঘটনার দিন বিকালে আমি বাজার করার জন্য টাকা চাহিলে সে আমার সাথে খারাব আচরণ করতে থাকে। এমনকি আমি বিকালে বাজারে যাবো টাকা চাই সেই ফাঁকে আমার স্ত্রীকে দেখিলাম মোবাইল নিয়ে ঘরের পিছনে গেল অনেক ক্ষন পরে আসিয়া বলে তোরে জম্মের টাকা দিতে আসিতেছে অপেক্ষা কর আমি কিছু বুঝার আগেই দেখি আমার ঘরের সামনে তার বাবা ভাইসহ ১০/১৫ জন লোক আসিতেছে।
সবাইর হাতে কাঠের রুহা, রামদা শাবল, গাব গাছের লাঠি, লোহার রড, নিয়ে আসিয়া আমাকে আক্রমন করে এবং পিটাইয় আমাকে মাটিতে লুটিয়ে ফেলে আমার ডাকচিৎকার শুনে আমার মা বোন আসিলে তাদেরকে পিটাইতে থাকে আমার পাশের ঘরের লোকে থামাতে আসিলে তাকেও মারপিট করে আমি অজ্ঞান হয়ে পরে গেলে কে বা কারা আমাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেছে তাহা জানিনা।
আহত শারমিন (২৫) বলেন, আমরা এসে দেখি সবাইকে ঘন হারে মারপিট করে আমরা আসিলে আমাদের গায়ে হাত দেয় এবং ঘরের টিন বেরা ও সুকেজ ঙেঙ্গে সুকেজে থাকা সব কিছুই আমাদের সামনে থেকে নিয়ে গেছে। স্বাথী আক্তার (১৯) বলেন, আমরা ডাক চিৎকার শুনে গিয়েছি কিন্তু তারা ডাকাতের মতো আচরন করে যাকে পেয়েছে তাকেই মেরেছে ও লুটপাট করেছে।
মনোয়ারা বেগম (৫০) বলেন, আমার ছেলে বিবাহ করার পর থেকে মানুষিক কষ্টে আছে সে পারেনা আমাকে ফেলতে কারন আমার বয়স হয়েছে অপরদিকে আমার অবিবাহিত একটি মেয়ে আছে। সে আরো বলেন , আমার বৌ আমার সাথে কোন দিন ভালো মতো কথা বলেনি আমার মেয়েকে দেখতেও পারেনা আমার মেয়ে বিবাহের কথা শুনার পর থেকেই বৌয়ের খারাব আচরণ শুরু হয়।
তিনি আরো বলেন, আমার বেয়াই তার ছেলেসহ অনেকেই নিয়ে আসছে তার মেয়ের কথা মতো সে তো আমার কাছে বলবে এর আগেও আমি তাকে আমার বাড়ি আসিতে বলেছি কিন্তু তখন আসেনি এখন তার মেয়ের কথা মতো এসে আমার সংসারটা ধংশ করেছে আমার মেয়ের জীবনও শেষ করেছে আমার ঘরের টিন গুলো রামদা দিয়ে কুপিয়ে টুকরা টুকরা করেছে এবং ছেলের কষ্ট করে জমানো টাকা স্বর্নালংকার নিয়ে গেছে এমনকি সাত মাসের কোলের ছেলেটাকে রেখে গেছে।
এ ঘটানায় স্ত্রীরির বাবা ভাইসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে বরিশাল কোর্টে মামলা হয়েছে। সন্ত্রসীরা হলো আয়উবআলীর মেয়ে স্ত্রীরি ঝুমুর বেগম (২২), আফতার সিকদারের ছেলে আয়উবআলি (৬০) ও তার নিত ছেলে রাকিব (২০), আনোয়ার (৩৫), সাহেবালি (২৫), আসরাফ আলির ছেলে মন্টু সিকদার (২০), বারেকের ছেলে বাপ্পি (২২) সহ শাখায়েতের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা বাড়িঘর ঙাংচুর ও লুটতরাজ করে। এ সময় সন্ত্রসী হামলায় শাখায়েত, শাহিদা, লুৎফর, শারমিন, স্বাথী, মনোয়ারাসহ প্রায় ৮/১০ আহত হন। পরে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফারুক হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উভয় পক্ষের মামলা হয়েছে আদালতের আদেশ অনুসারে আইনগত
ব্যবস্থা নেয়া হবে।