সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
মামুন আহমেদ, বানারীপাড়া :: বানারীপাড়ায় বন্দর বাজারের কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
রবিবার সকাল সোয়া ৮ টার দিকে থানার সম্মুখে সদর রোডের একটি দোকান থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। এদিকে ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন অগ্নিকাণ্ডের খবর সাথে সাথে পেয়েও বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা প্রায় ৪০ মিনিট পরে দুর্ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়, ফলে ব্যবসায়ীদের অনেক বেশি ক্ষতি হয়ে যায়।
পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠি উপজেলার ফায়ার সার্ভিস টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৩০ মিনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তার আগেই চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
জানা গেছে, শহিদুল ইসলামের ‘হুজুর মোবাইল সার্ভিসিং’ থেকে অগ্নিকাণ্ডে সূত্রপাত হয়ে তার পাশে নিজের অপর একটি মোবাইল সার্ভিসের দোকান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ. সালামের লেপ-তোষক ও জাহিদুল ইসলামের মোবাইল সার্ভিসের দোকানে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আ. সালামের লেপ-তোষকের দোকানে রাখা ফুটপাতের দোকানী সেলিম হোসেনের গার্মেন্টসের মালামালও পুড়ে যায়। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে সূত্রপাত হওয়া অগ্নিকাণ্ডে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে আগুন নেভাতে থানার ওসি শিশির কুমার পালসহ স্থানীয়রা ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। বানারীপাড়ার ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা বিলম্বে আসায় ব্যবসায়ীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে বরিশাল থেকে ঢাকায় যাওয়া বাতিল করে বানারীপাড়ায় ছুটে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শাহে আলম।
তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন। বানারীপাড়া উপজেলা বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি কৃষিবিদ ডা. খোরশেদ আলম সেলিম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সুব্রত লাল কুণ্ডু, ওসি (তদন্ত) মো. জাফর আহম্মেদ, মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল চক্রবর্তী, বানারীপাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি রাহাদ সুমন, সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক শাহিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মু. মুন্তাকিম লস্কর কায়েস প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।