মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশ বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির নারায়ণগঞ্জ ভূমি বারান্দায় প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহপাঠীর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সারাদেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন আবারও হামলা সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে কুষ্টিয়া ইবি শিক্ষিকাকে কুপিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন করে উদ্যোগ শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে: চিফ প্রসিকিউটর মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের শক্তি প্রদর্শন ইসরাইলের লাশের হাহাকার চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
কেরানীগঞ্জ অগ্নিকাণ্ডে ২ কারখানা সিলগালা

কেরানীগঞ্জ অগ্নিকাণ্ডে ২ কারখানা সিলগালা

অনলাইন রিপোর্টর :: কেরানীগঞ্জ থানার চুনকুটিয়া হিঝলতলা এলাকার প্রাইম প্লাস্টিক কারখানা খেকে ধোয়া বের হচ্ছে। ভয়াভয় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেরানীগঞ্জের সেই ‘প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ কারখানাটি সিলগালা করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কারখানাটি সিলগালা করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দেবনাথ। এর আগে উপজেলার শুভাঢ্যা এলাকায় একই মালিকের আরও একটি কারখানা সিলগালা করে দেওয়া হয়।

ইউএনও অমিত দেবনাথ জানান, জেলা প্রশাসক (ডিসি) কারখানা দুটি পরিদর্শন করেছেন। তার নির্দেশেই ওই প্লাস্টিক কারখানা দুটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সিলগালা করা একই মালিকের দ্বিতীয় কারখানাটিও আবাসিক এলাকার মধ্যে। তাছাড়া কারখানাটিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি নিয়ে ঢোকাই মুশকিল।

উল্লেখ্য, বুধবার বিকালে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার চুনকুটিয়ার হিজলতলা এলাকার ওই প্লাস্টিক কারখানাটিতে আগুন লাগে। এতে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে একজন ঘটনাস্থলে এবং বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১২ জন। ‘প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানায় গত দুই বছরে তিনবার অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, যার দুটোই ঘটেছে চলতি বছরে।

২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর কারখানাটিতে প্রথম অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এরপর চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল দ্বিতীয়বারের মতো আগুন লাগে। তবে ওই দুটি অগ্নিকাণ্ডে কারখানার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সর্বশেষ বুধবার তৃতীয়বারের মতো আগুন লাগে কারখানাটিতে।

অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনায় এখনো ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আটজন ভর্তি রয়েছেন। শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন আরও ১০ জন। দগ্ধদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯