বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক :: ঘনিষ্ঠ বন্ধু সোনা শেখের মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক সিপিএম নেতা সুভাষ চন্দ্র দের। কিন্তু পরকিয়ার বিষয়টি ওই তরুণীর স্বামী দেখা দেখা ফেলাই কাল হলো নেতার। নিখোঁজের তিন দিন পর মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হলো তার মস্তকবিহীন দেহ। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বীরভূমের সূচপুরে।
গত ১৮ অক্টোবর থেকে সুভাষ চন্দ্র নিখোঁজ ছিলেন। ১৯ অক্টোবর অর্থাৎ নিখোঁজ হওয়ার পরের দিন তার বাইক পাওয়া যায় বীরভূমের নানুরে এক তৃণমূল নেতার মালিকানাধীন বেসরকারি কলেজের সামনে। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনার পেছনে রাজনীতির গন্ধ খোঁজা হয়। এর মধ্যেই আজ সোমবার সকালে উদ্ধার হয় সুভাষের দেহ।
বীরভূম পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, সুভাষের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু সোনা শেখের মেয়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। নিখোঁজ হওয়ার দিন অর্থাৎ গত শুক্রবারও তিনি ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি যখন ওই তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে ছিলেন, তখন হঠাৎই তার স্বামী মতিউর রহমান বাড়ি ফিরে আসেন। নিজের স্ত্রীকে অন্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে রাগের মাথায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে শাবলের আঘাত করেন তার ঘাড়ে। এর পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে উপুর্যপরি আরও কয়েক বার আঘাত করেন। পরে সেই স্ত্রীর সাহায্যেই দেহটি তিন টুকরো করেন। এর পর মাথা আর দুই পা ভাসিয়ে দেওয়া হয় পানিতে। আর দেহের বাকি অংশ একটা চটের ব্যাগে ভরে তাদের বাড়ির কাছে একটি পুকুরপাড়ে বাঁশবাগানে পুঁতে দেন স্বামী-স্ত্রী।
নানুর থানার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার কথা মতিউর এবং তার স্ত্রী পুলিশের জেরার মুখে স্বীকার করেছেন। পরে তাদের দেখিয়ে দেওয়া জায়গা থেকেই উদ্ধার হয়েছে সুভাষের দেহাংশ।
পরে এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে মতিউর এবং তার স্ত্রীকে।