বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির নারায়ণগঞ্জ ভূমি বারান্দায় প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহপাঠীর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সারাদেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন আবারও হামলা সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে কুষ্টিয়া ইবি শিক্ষিকাকে কুপিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন করে উদ্যোগ শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে: চিফ প্রসিকিউটর মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের শক্তি প্রদর্শন ইসরাইলের লাশের হাহাকার চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পরীক্ষার সময় টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী: শিক্ষামন্ত্রী ৩ মিনিটে ২ গোল চীনকে চমক দিলো বাংলাদেশ মেট্রোরেল ও ট্রেন ভাড়ায় ছাড় পাবেন যারা আজ দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন
বরিশাল প্রধান শিক্ষকদের রমরমা কোচিং বানিজ্য

বরিশাল প্রধান শিক্ষকদের রমরমা কোচিং বানিজ্য

 আনোয়ার হোসেন::

বরিশাল সদর উপজেলা চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৫ নং শালুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১৬০নং চরবুখাই নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকাশ্যেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদ্বারা ক্লাস রুমেই চলছে রমরমা কোচিং বানিজ্য। সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে কোচিং বানিজ্য চললেও দেখার কেহ নেই। অবৈধ কোচিং বানিজ্যের ফাঁদের পরে অসহায় হয়ে পড়েছে এখনকার দরিদ্র অভিভাবকরা। প্রায় এক বছর যাবত বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী জামাল উদ্দিন ও জাহিদ হোসেন নিজেরাই গড়ে তুলেছেন অবৈধ কোচিং সেন্টার। সরজমিনে গিয়ে দেখাযায়, স্কুলের সামনে শিক্ষার্থীরা সকাল দশটার দিকে খেলাধুলা করছে। শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন, আমাদের কোচিং শেষ করে বল খেলছি। শিক্ষার্থীদের কাছে কোচিংএ টাকা নেওয়ার বিষয় জানতে চাইলে বলেন, ছয় সাবজেক্ট পড়ায় আমাদের মাসে ১০০০ এক হাজার টাকা নেয় জাহিদ স্যারে। তবে স্কুলগুলোতে সকাল নয়টা দৈনিক প্রথম সকাল প্রতিনিধি গিয়ে ক্লাস রুমেই পঞ্চম শ্রেনির ছাত্র ছাত্রীদের একটি ব্যাচ করে কোচিং করানো দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করে। আশপাশের কয়েকটি বিদ্যালয়ের একইভাবে কোচিং বানিজ্য চলে। বিদ্যালয়ের শুরুর তিন ঘন্টা আগেই শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে হচ্ছে কোচিং সেন্টারে। কোচিং এ আসা একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানাযায়, তারা বিদ্যালয়ের প্রতিটি বিষয়ের উপর কোচিং করছে। ৫ম শ্রেনির শিক্ষার্থীদের বৃত্তির জন্যে অতিরিক্ত পড়াশোনার নাম করে তারা অভিনব পদ্ধতি হাতিয়ে নিচ্ছেন অসহায় শিক্ষার্থীর অভিভাবকের নিকট থেকে ১০০০ এক হাজার টাকা বলেও অভিযোগ রয়েছে। কোচিং এর মধ্যে ও বিভিন্ন পরীক্ষার অযুহাত দেখিয়েও উত্তোলন করা হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। প্রাইভেট বা কোচিং পড়ানো সরকারি ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিধি নিষেধ থাকলেও সে আইনের তোয়াক্কা না করেই অবৈধ ভাবে চালাচ্ছেন কোচিং সেন্টার প্রধান শিক্ষকরা। এলাকাবাসীরা জানান, প্রতিদিন বিদ্যালয় ছুটি হচ্ছে নিদিষ্ট সময়ের আগেই। অন্যদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের বেপরোয়া কোচিং বানিজ্যের কাছে অন্যান্য শিক্ষকরা ও বিদ্যালয়ে সঠিকভাবে পাঠদান করতে ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আরও জানাযায়, ৫ম শ্রেনির শিক্ষার্থীদের বাধ্য করা হয় কোচিং করার জন্যে। নাম প্রকাশে একাধিক অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ে সঠিকভাবে পড়াশোনা করানো হলে প্রাইভেট বা কোচিং এর কোনো প্রয়োজন হতে না। বিদ্যালয়ের পাশাপাশি এখন প্রতি মাসেই দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোচিং নিষিদ্ধ ওই পরিপত্রে ভিত্তিতে আরও জানাযায়, সরকারি ভাবে কোনো শিক্ষক তাঁর নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। এমনকি শিক্ষকেরা বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারেও পড়াতে পারবেন না।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯