মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদন>>টানটান উত্তেজনার ম্যাচে এক বল বাকি থাকতে সিলেটকে হারাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। মাহমুদুল হাসান জয়ের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের দিনে সিলেট সানরাইজার্সকে চার উইকেটে হারিয়েছে ইমরুল কায়েসের দল।
এই জয়ে আট ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করল কুমিল্লা। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে সাকিব আল হাসানের ফরচুন বরিশাল। এই ম্যাচ দিয়ে শেষ হল বিপিএলের সিলেট পর্ব। একদিন বিরতি দিয়ে শুক্রবার থেকে শুরু হবে ঢাকার শেষ পর্ব।
টস জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান কুমিল্লার অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। শুরুতে ব্যাট করে কলিন ইনগ্রামের ঝড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে সিলেটের সংগ্রহ ১৬৯ রান। জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে ১ বল বাকি থাকতে জয় নিশ্চিত করে কুমিল্লা।
৩৬ বলে চার বাউন্ডারি আর দুই ছক্কায় ৪৬ রান করে ফেরেন ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলী। এরপর কুমিল্লার অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৮ বলে ১৬ রানের ইনিংস। তাকে বোল্ড করে ফেরান নাজমুল ইসলাম অপু।
ইমরুল বিদায় নিলেও একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন জয়। শেষ দিকে জয়ের জন্য ১৯ বলে কুমিল্লার প্রয়োজন ছিল ২২ রান। খেলার এমন অবস্থায় আলাউদ্দিন বাবুর জোড়া আঘাতে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান ও আরিফুল হক। ৫০ বল মোকাবেলা করে ৭টি চার ও দুই ছক্কায় ৬৫ রান করে ফেরেন জয়। শূন্য রানে বোল্ড হন আরিফুল।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত খেলেছেন সিলেটের দুই ওপেনার কলিন ইনগ্রাম ও এনামুল হক বিজয়। ১২.২ ওভার পর্যন্ত টিকে ছিল এই জুটি। ব্যক্তিগত ৪৬ রানে বিজয় যখন বিদায় নেন তখন সিলেটের স্কোর ১০৫ রান। এবারের বিপিএলে এটি এখন পর্যন্ত পঞ্চম সেরা ওপেনিং জুটি।
বিজয় ফেরার পর ওয়ানডাউনে নেমে ছোট ক্যামিও খেলে ১৬ রানে ফেরেন লেন্ডল সিমন্স। স্কোরকার্ডে ৯ রান যোগ হতেই ফেরেন রবি বোপারা। দলীয় ১৬৬ রানে থামেন কলিন ইনগ্রাম। ৬৩ বলে ৯টি চার ও ৩ ছক্কায় ইনগ্রাম তোলেন ৮৯ রান। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯ রানে থামে সিলেট।
লিটন দাস, মাহমুদুল হাসান জয়, ইমরুল কায়েস (অধিনায়ক), ফাফ ডু প্লেসি, আরিফুল হক, সুনিল নারিন, আবু হায়দার রনি, মঈন আলি, নাহিদুল ইসলাম, তানভীর ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।
কলিন ইনগ্রাম, এনামুল হক, মোহাম্মদ মিঠুন, লেন্ডল সিমন্স, রবি বোপারা (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু, একেএস স্বাধীন, নাজমুল ইসলাম, সোহাগ গাজী ও মুক্তার আলী।