সোমবার, ০৮ Jun ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> গত ১০ মাসে (২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত) দেশে খুন ৩,৫৫৪টি, ডাকাতি হয়েছে ৬১০টি, দস্যুতা ১,৫২৬টি, দাঙ্গা ৯৭টি, ধর্ষণ ৪,১০৫টি, এসিড নিক্ষেপ ৫টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ১২,৭২৬টি, অহরণ ৮১৯টি, সিঁধেল চুরি ২,৩০৪টি, চুরি ৭,৩১০টি এবং এই সময়ে রুজুকৃত মামলার সংখ্যা ১,৪৪,৯৫৫টি।
পরিসংখ্যানে আরো বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে ৩৬৭টি, খুন হয়েছে ১,৯৩৩টি এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ২,৭৪৪টি। নারী নির্যাতন ৬,১৪৪টি এবং শিশু নির্যাতন ২,১৫৯টি।
আজ সোমবার (১৪ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি অপরাধ পরিসংখ্যানে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এসব পরিসংখ্যান পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগের বছর ২০২৪ সালে খুন ৪,১১৪টি, ডাকাতি হয়েছিল ৪৯০টি, ধর্ষণ ৪,৩৯৪টি, নারী নির্যাতন ১০,১৯৮টি এবং শিশু নির্যাতন ২,৯৬৪টি। ২০২৩ সালে ডাকাতি হয়েছিল ৩১৯টি, খুন ৩,০২৩টি, ধর্ষণ ৫,১৯১টি, নারী নির্যাতন ১১,০২৭টি এবং শিশু নির্যাতন ২,৭১৩টি।
২০২২ সালে ডাকাতি হয়েছিল ৪০৬টি, খুন ১,১২৮টি, ধর্ষণ ৬,০৩২টি, নারী নির্যাতন ১২,৫১৮টি এবং শিশু নির্যাতন ৩,২০৫টি।
২০২১ সালে ডাকাতি হয়েছিল ৩০৮টি, খুন ৩,২১৪টি, ধর্ষণ ৬,৩৪১টি, নারী নির্যাতন ১২,৮৫৫টি এবং শিশু নির্যাতন ২,৯২৮টি। ২০২০ সালে ডাকাতির সংখ্যা ছিল ৩০২টি, খুন ৩,৫৩৯টি, ধর্ষণ ৬,৫৫৫টি, নারী নির্যাতন ১৩,৪৩১টি এবং শিশু নির্যাতন ২,৫১৫টি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি বছর দেশে অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে—এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় জনমনে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সরকারি অপরাধ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বড় ধরনের অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ মাসে গুরুতর অপরাধের প্রবণতা স্থিতিশীল রয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বড় ধরনের অপরাধ দ্রুত বেড়ছে—এমন কোনো লক্ষণ নেই। বরং বেশির ভাগ গুরুতর অপরাধের হার কমছে বা একই পর্যায়ে রয়েছে। কিছু নির্দিষ্ট অপরাধে সামান্য বাড়তি প্রবণতা দেখা গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
প্রেস উইং নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ওপর আস্থা রাখতে হবে।অপরাধ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং নিয়ন্ত্রণে আছে।