মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান২২৪>> আর কোনও উপায় ছিল না। বাধ্য হয়েই ইসরাইলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। জাতিসংঘের আপৎকালীন বৈঠকে এই কথা সাফ জানিয়ে দিল ইরান। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদকে ব্যর্থ বলে তোপ দেগেছে তারা। তবে ইরানের তরফে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, তারাও মোটেই যুদ্ধের পক্ষপাতী নয়।
এই হামলার পরেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। তড়িঘড়ি আপৎকালীন বৈঠক ডাকে জাতিসংঘ। সেই বৈঠকেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয় ইরান। জাতিসংঘে সেদেশের প্রতিনিধি আমির সইদ ইরাভানি বলেন, “স্বাভাবিকভাবেই আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে ইরানের। আমাদের আর কোনও উপায় ছিল না। ইসরাইলকে জবাব দিতেই হত। তবে আমাদের দেশ মোটেও যুদ্ধ চায় না। তবে কোনওভাবে আগ্রাসনের শিকার হলে অবশ্যই জবাব দেব।
গত অক্টোবর থেকে ইসরাইলের হামাস বিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই তেল আভিভের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গত ১ এপ্রিল সিরিয়ায় ইরানের দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। দুই ইরানি সেনাকর্তা-সহ মোট ১৩ জনের মৃত্যু হয় এই হামলায়। এই হামলার নেপথ্যে ইসরাইলের দিকেই আঙুল তুলেছিল ইরান। লাগাতার হুঁশিয়ারি দেয়ার পর শনিবার ইসরাইল লক্ষ্য করে মিসাইল ছোঁড়ে তারা।
এখানেই না থেমে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকেও ব্যর্থ বলে তোপ দেগেছে ইরান। এদিনের বৈঠকে ইরাভানি বলেন, “আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার দায়িত্বে ফেল করেছে নিরাপত্তা পরিষদ। তাদের উচিত, শান্তিভঙ্গের জন্য যারা দায়ী সেই নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ করা। গাজার গণহত্যা বন্ধ করতেও দ্রুত পদক্ষেপ করা দরকার।” উল্লেখ্য, রোববার জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সাফ জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্য ইতিমধ্যেই বিধ্বস্ত। আরও একটা যুদ্ধ সহ্য় করতে পারবে না বিশ্ব।