শনিবার, ২৫ Jul ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র! পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশ বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির
ফতুল্লায় মিস্ত্রির আত্মহত্যা

ফতুল্লায় মিস্ত্রির আত্মহত্যা

ফতুল্লায় মিস্ত্রির আত্মহত্যা
ফতুল্লায় মিস্ত্রির আত্মহত্যা

অনুসন্ধান ২৪ >. অভাবের তাড়নায় ফতুল্লার তল্লায় মো. হারেস মিয়া (৫৫) নামে এক রাজ মিস্ত্রির ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।নিহত মো. হারেস মিয়া বরগুনা জেলার সদর থানার গরু চালনার মৃত হানিফ মুসিল্লির পুত্র।

সে ফতুল্লা মডেল থানার তল্লা রেলাইন নতুন রাস্তার পাঠাগার সংলগ্ন জসিম উদ্দিনের বাসায় ভাড়ায় পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলো। শনিবার সকাল নয়টার দিকে পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরহতাল রিপোর্ট তৈরি কর ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী লাইজু বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় উল্লেখ্য করা হয়, নিহত হারেস মিয়া রাজ মিস্ত্রির কাজ করতো। বেশ কিছুদিন ধরে কাজকর্ম না থাকায় অনেকটা বেকার জীবন-যাপন করছিলো। ফলে সংসারে আর্থিক অভাব-অনটন দেখা দেয়। সংসার চালানো বা ব্যয় বহন করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছিলো।

অপরদিকে সে দীর্ঘদিন ধরে মৃগি রোগে ভুগছিলো। একাধিক ডাক্তার দেখানো হলেও সে সুস্থ হচ্ছিলোনা। আর্থিক অনটন ও রোগের বিষয় নিয়ে নিহত হারেস মিয়া হতাশ হয়ে পরেছিলো। শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে নিজ রুমে গিয়ে বাদীর সাথে একই বিছানায় ঘুমিয়ে পরে।

রাত সাড়ে তিনটার দিকে বাদীর ঘুম ভেঙ্গে গেলে সে দেখে তার স্বামী নিহত হারেস মিয়া তার পাশ্বে নেই। তখন বাদী ঘরের লাইট জ্বালালে দেখতে পান রুমের দরজার পার্শ্বে টিনের চালের কাঠের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেচিঁয়ে ফাঁস দেয়া নিহতের ঝুলন্ত লাশ।

আরও পড়ুন

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯