রবিবার, ২৬ Jul ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> চায়না জালের আগ্রাসন থেকে যদি মৎসের প্রজন্ন রক্ষা করা না হয়,অচিরে-ই বাংলাদেশ মৎস শূন্য হয়ে য়াবে, দাবী করেছেন কুমারখালি সফল মৎস ব্যবসায়ী মো সুজন আলী পলাশ। মাছ ধরার জালের নাম রিল জাল বা চায়না দুয়ারি। এসব জালকে স্হানীরা রাক্ষসী জাল বলে চেনে।
ভয়ংকর এ জালের ব্যবহার বন্ধ না হলে স্হানীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির আশস্কা দেখছেন মো সুজন আলী পলাশ।
চায়না দুয়ারি ( রাক্ষসী জাল) এক ধরনের বিশেষ ফাঁদ। এটি প্রায় ৬০ থেকে ৮০ ফুট লম্বা। ছোট ছোট কক্ষ বিশিষ্ট খোপের মত। এ জাল খাল- বিল -নদী- নালা ও জলাশয়ের বাঁশের খুঁটির সঙ্গে জালের দু , মাথা বেঁধে রাখা হয়। ছোট বড় সব ধরনের মাছ এ জালে আটকা পড়ে ।
পলাশ জানান,” বড় খাল বা বিলে পাতা হচ্ছে জাল। মাছ ধরতে ৪/৫ ঘণ্টা পরপর তোলা হয় এসব জাল। জাল তোলার পর দেখা যায় বড় মাছ তো আছেই ক্ষুদ্র পোনা মাছগুলোও রক্ষা পাচ্ছে না এসব জাল থেকে। এই চায়না জালে ১০ কেজি ওজনের মাছ থেকে, ছোট, ছোট মাঝারি মাছ এমনকি মাছের ডিমও আটকে যায়। ডিম আটকে গেলে ঐ জাল ডাঙায় উঠানোর পর ডিম গুলো এমনিতে নষ্ট হয়ে যায়।
নদী খাল বিলের তলদেশ এই জাল দিয়ে মাছ শিকার করলে, কোন মাছ আর বাঁচার উপায় থাকেনা। সব মাছ ধরা পড়তে বাধ্য।
তাই অনতি বিকম্বে সব জায়গায় বা সারাদেশে আইন প্রায়োগকারী সংস্হার প্রতি নিবেদন, দয়া করে নিষিদ্ধ চায়না জালের বিরুদ্ধে অভিযান চালু করুন, মাছের প্রজন্ন রক্ষা করুন।