মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র! পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশ বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির
ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে রুপালী ইলিশ

ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে রুপালী ইলিশ

অনুসন্ধান ২৪ ডেস্ক >> কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে অবশেষে দেখা মিলেছে রুপালী ইলিশ। হাসি ফুটছে জেলেদের মুখে। আড়ৎদার ও পাইকারদের হাকডাকে সরগরম হয়ে উঠেছে শুরু করেছে দক্ষিণাঞ্চলের ইলিশের বড় মোকাম মহিপুর-আলীপুর মৎস্য বন্দর।

গত দু’দিনে সমুদ্র থেকে যে সংখ্যাক ইলিশের ট্রলার ঘাটে এসেছে এতে খুশি নন মৎস্য আড়ৎ ব্যবসায়ী, ট্রলার মালিকরা। তবে এবার মাছ বিক্রির টাকায় লোকসান পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশাবাদী জেলে পরিবারগুলো।

মৎস্য আড়ৎ ব্যবসায়ি ও জেলেরা জানায়, বর্তমানে প্রতিমন বড় সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ হাজার টাকা। ৭০০-৮০০ গ্রাম সাইজের ইলিশ প্রতিমন বিক্রী হচ্ছে ২৪-২৫ হাজার টাকা। এছাড়া প্রতিমন জাটকা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২ হাজার টাকা। তবে এখন পর্যাপ্ত কাঙ্খিত ইলিশ জালে ধরা পরেনি।

মহিপুর মৎস্য বন্দরের কক্সবাজার ফিস’র মালিক মো.মনিরুল ইসলাম বলেন, গভীর সমুদ্র থেকে ফেরা চট্রগ্রাম এলাকার কিছু ট্রলার কাঙ্খিত ইলিশ পেয়েছে। স্থানীয় জেলেরা এখনও ইলিশ পায়নি। তবে সমুদ্রে ইলিশের দেখা মিলেছে এটাই খুশির খবর।

মহিপুর মৎস্য বন্দর সূত্র জানায়, গত দু’দিনে বেশ কিছু ইলিশ বোঝাই ট্রলার ঘাটে ফিরেছে। এদের মধ্যে চট্রগ্রামের মহেষখালী এলাকার সাদেক মিয়া’র এফবি আল্লাহ্র দান বড় সাইজের ৮ হাজার পিস ইলিশ বিক্রি করেছে ১৩ লাখ টাকায়। আলীপুর মৎস্য বন্দরের সোবাহান খলিফা’র মালিকানাধীন ট্রলার বিক্রি করেছে ২০ লাখ টাকা। মোস্তফা খলিফা’র মালিকানাধীন এফবি জাবের বিক্রি করেছে ১৫ লাখ টাকা। আহসান’র মালিকানাধীন এফবি ঝিলিক বিক্রি করেছে ১৮ লাখ টাকা। মনি ফিস’র মালিকানাধীন এফবি মনি বিক্রি করেছে ৩০ লাখ টাকা। মহিপুর মৎস্যবন্দরের ফজলু গাজী’র মালিকানাধীন এফবি ফয়সাল বিক্রি করেছে ১৫ লাখ টাকা। আনোয়ারের মাছ ধরা ট্রলার বিক্রি করেছে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মো.মনিরুল ইসলাম’র মালিকানাধীন কক্সবাজার ফিস’র এফবি আল্লাহ্র দান বিক্রি করেছে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

আলিপুর মৎস্য আড়ৎ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আনছার উদ্দীন মোল্লা বলেন, সমুদ্র থেকে দু’এক দিনে বন্দরে ইলিশ আসতে শুরু করেছে। তবে তাও আশানুরুপ নয়। সমুদ্র থেকে ১০০ ট্রলার ঘাটে ফিরলে কাঙ্খিত ইলিশ বিক্রি করেছে ৮-১০টি ট্রলার। অপর ৯০টি ট্রলারের সমুদ্র যাত্রার বাজার খরচ ওঠেনি মাছ বিক্রি করে। এতে সমুদ্রে ইলিশ পড়ছে বলা যায়না বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯