মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক :: বরগুনার তালতলীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযোগের সংবাদ প্রকাশের পরে থানায় মামলা হয়েছে।
এ ঘটনায় ধর্ষক আউয়াল কে আটক করেছে পুলিশ।
পরিবারের অভিযোগ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের আগাপাড়া এলাকার দরিদ্র আবদুল হাকিমের স্কুল পড়ুয়া মেয়ের সাথে প্রতিবেশী শানু মোল্লার ছেলে আউয়ালের দীর্ঘ ১০ মাসের বেশি সময় প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। বিয়ের প্রলোভনের কথা বলে একাধিকবার ধর্ষণ করেন আউয়াল।
এক পর্যায় স্কুল ছাত্রী বিয়ের কথা বললে আউয়াল বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। বিয়ের দাবিতে বিভিন্ন সময় আউয়ালের বাড়িতে প্রস্তাব পাঠালে ভিক্ষুকের মেয়ে বলে ফিরিয়ে দেয়।
পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বললে তারা আইনি ভাবে বিচারের জন্য তালতলী থানায় পাঠিয়ে দেয়।
এ ঘটনায় তালতলী থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। নলবুনিয়া আগাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ঔ মেয়েটি।
এ বিষয়ে সংবাদপত্রে তালতলীতে বিয়ের প্রলোভনে দিনের পর দিন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ শিরোনামে অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ হয়। এর পরেই এ ঘটনায় শানু মোল্লার ছেলে আউয়াল কে আসামি করে ১৬ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে তালতলী থানায় ৯/১ ধারায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের মামলা ধায়ের করেন ভুক্তভোগী মেয়ে। যার মামলা নং৫/২০২০। ঐ দিনই আউয়ালকে আটক করা হয়।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, বিয়েল প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় আউয়াল কে আসামি করে ৯/১ ধারায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ধর্ষণের মামলা ধায়ের করেন। তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আউয়ালকে আটক করে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।