সোমবার, ০৮ Jun ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র! পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশ বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির নারায়ণগঞ্জ ভূমি বারান্দায় প্রতিমন্ত্রী
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

অনুসন্ধান২৪>>পাঁচ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ৮ নভেম্বর রাতে এই ঘটনা ঘটে। পরদিন ৯ নভেম্বর গ্রামের মাতব্বররা সালিস বৈঠক ডাকেন। অভিযুক্ত যুবককে কয়েকটা চড়থাপ্পড় মারা হয়। তাকে শাসানো হয়, “আর এমন কাজ করবি না।”

ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। মাতব্বরদের চাপে ও মেয়ের ভবিষ্যতের ভয়ে থানায় যাইনি। কিন্তু এটা কোনো বিচার হলো? ওই যুবক যদি শাস্তি না পায়, তাহলে আবার এমন করবে। আমি আমার মেয়ের জন্য ন্যায়বিচার চাই।”

এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তির বাবাকে বলা হয়, দ্রুত ছেলের বিয়ে দিতে। না দিলে ২০ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হবে। এটাকেই ‘সমাধান’ বলে ঘোষণা করেন মাতব্বররা। তারা ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে সতর্ক করেন, “এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। বিষয়টি মিটে গেছে।”

সালিসে অংশ নেওয়া মাতব্বর রেজাউল করিম ও হানিফ মুন্সি প্রথমে ঘটনা অস্বীকার করেন। পরে স্বীকার করে বলেন, “ঘটনা নিজেদের মধ্যে ঘটেছে। আমরা শাসন করেছি। গ্রাম থেকেও তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।” কিন্তু থানায় যেতে কেন বাধা দেওয়া হয়েছে-এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি তারা।

আমরা জানতে চাইব, ধর্ষণচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধের সালিস মাতব্বররা করতে পারেন কিনা। এটা আইনসম্মত কিনা। এ ধরনের ঘটনায় আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে, তদন্তের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু গোপালগঞ্জের ঘটনায় সেটা হয়নি।

এটি কোনো বিচার নয়, বরং অপরাধকে এক ধরনের প্রশ্রয় দেওয়া। এমনটি হলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে, এবং ভবিষ্যতে নির্যাতনের শিকার মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবে।

ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা কোনো সাধারণ অপরাধ নয়। এর প্রতিকার করতে হবে কঠোর আইনের মাধ্যমে, স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে নয়। পুলিশের দায়িত্ব হলো পরিবারের অভিযোগ পেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া। নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি যেন আইনি সহায়তা পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

আরো পড়ুন

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯