সোমবার, ০৮ Jun ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪>> চট্টগ্রামের রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ৪টি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার ও বিপুল গুলি উদ্ধার করেছে জেলা পুলিশের বিশেষ দল। এ সময় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করার তথ্য জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার দুই যুবক হলেন মো. সাকিব (২১) ও মো. শাহেদকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (১০ নভেম্বর) ভোরে আইয়ুব আলী সওদাগরের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ ধারণা করছে , উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত হয়েছিল।
বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের পর একই দিন বেলা দুইটার দিকে উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের চৌধুরীহাট বাজারসংলগ্ন আইয়ুব আলী সওদাগরের বাড়ির পেছনের পুকুর সেচে একটি চায়নিজ রাইফেল, একটি শটগান ও ৭টি গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার দুজনের তথ্যে এর আগে ভোরে ৪টি বিদেশি পিস্তল ও ১টি রিভলবার, ৪২টি রাইফেলের গুলি, ১৯টি পিস্তলের গুলি, শটগানের ১৬টি কার্তুজ, ৭টি খালি ম্যাগাজিন, ১টি রকেট ফ্লেয়ার, ২টি রামদা, ৫০টি ইয়াবা ও ২৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়। এ ছাড়া ৯৬ হাজার টাকা জব্দ করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র-গুলি গত বছরের ৫ আগস্ট থানা থেকে লুট হয়েছিল।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্র-গুলি প্লাস্টিকের প্যাকেটে আবৃত করে পুকুরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, চট্টগ্রামের রাউজানে এক বিএনপি কর্মীকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই যুবকের তথ্যে এসব অস্ত্র-গুলি উদ্ধার হয়েছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, পুকুর সেচে যে দুটি অস্ত্র এবং গুলি উদ্ধার করা গেছে, সেগুলো গত বছর রাউজান থানা থেকে লুট করা হয়েছিল।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুহাম্মদ রাসেল বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত হয়েছিল। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে।
অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, রাউজানের আবদুল হাকিম হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত মোট ছয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনার পরিকল্পনাকারীদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, রাউজানে মোট ৬টি দল সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে পুলিশ তাদের সহযোগীদের গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার করেছে।