রবিবার, ২৬ Jul ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
আনোয়ার হোসেন :: বরিশাল নগরীর বিসিসির নগর স্বাস্থ্য চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে চাহিদা বেশি কিন্তু পরিচালনায় ঘারতি থাকায় কিছু অসাধু কর্মচারিরা চিকিৎসার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কম অর্থ খরচ হয় বলে, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবারদিকে ঝুঁকছে সাধারণ মানুষ। কিন্তু সেখানেও বাণিজ্যিক মুনাফাই মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত শনিবার কাউনিয়া জানসিংকিং রোডের এক বাসায় নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সুপারভাইজারসহ কেন্দ্রের কিছু সদস্যদের বাসায় বাসায় গিয়ে মহিলাদের ডেকে প্রেসার মাপাসহ সরকারি ঔষধ বিক্রয়ের দৃশ্য দেখা গেছে। ঔষধ হলো, সরকারি সুখি, নিরাপদ কনডম, ও তিন মাসের মহিলাদের ইনজেকশনসহ বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন রোগের ঔষধ ঘুরে ঘুরে বিক্রর করার অভিযোগ উঠেছে। কাউনিয়া নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে -১ সায়েস্থাবাদ থেকে সেবা নিতে আসা পারুল বেগম বলেন, আসলে নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসলে বিভিন্ন হয়রানির শিকার হতে হয়। কারন টাকা ছাড়া সেবাতো মিলেই না বরং তাদের আচরণ অতি নগন্য। সে আরো বলেন, এমার করাতে তারা ৬ হাজার টাকা নিয়েছেন। এবং প্যাথলজি পরীক্ষায় প্রায় তিন হাজার টাকা বিল করেছেন, আসলে আমরা কম খরচ হয় বলে নগর স্বাস্থে সেবা নিতে আশি কিন্তু তারা বাহিরের ডায়গনিষ্টিক থেকে মোটেও কম নেয় না। নগরীর মতাশার নুপুর বলেন, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সিরিঞ্জ পর্যন্ত কিন্তে হয়। এমনকি সকল ঔষধ তারা কড়া দামে বিক্রি করেন, তাদের সাথে কথা বলতে চাইলে লোকজনের সামনে খারাব আচরণ করেন। সে আরো বলেন, এখানের সবাই টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না আমাদের এলাকায় ব্যাগ ভর্তী ঔষধ নিয়ে বাসায় বাসায় গিয়ে সরকারি ঔষধসহ বিভিন্ন কোম্পানির ঔষধ বিক্রি করেন তারা। সরকারি ঔষধ তাদের কাছ থেকে চড়া মূল্য দিয়ে কিনতে হয়। কাউনিয়া হাউজিংবাসীন্ধা কেয়া আক্তার বলেন, আমি স্টুডেন্ট চিকিৎসার জন্য এসে তাদের নোংরা কথা শুনে খুব খারাব লেখেছে। নগর স্বাস্থে চিকিৎসা নিতে আসলেই অফিস ষ্টাফরা যেন ভাগাভাগীর কথা বলে, এবং যে রুমেই যাই তারা বিভিন্ন বাজে কথা বলেন। আর রোগের কথা শুনলেই পরীক্ষা দিয়ে অনেক ঔষধ লেখেন ও বলেন, আমাদের এখান থেকে পরীক্ষা করে ঔষধ কিনে নিতে হবে দেখা যায় বাধ্য হয়ে সরকারি ঔষধ তাদের কাছে থেকে নিরুপায় হয়ে কিন্তে হয়। এলাকার হাবিব বলেন, নগর স্বাস্থ্য সেবা-দানকারী থাকার কথা তার বিপরীতে বিভিন্ন অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে সেবা দানকারীরা সুযোগ নিচ্ছে। তিনি বলেন, চাহিদার বিপরীতে সরবারাহের ব্যবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এ সংক্রান্ত আইনের ঘাটতির কারণে নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মুনাফা ভিক্তির চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু হয়েছে। সেখানে আইনের নীতি প্রয়োগের ঘাটতি এবং নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে । ফলে নগর স্বাস্থ্য সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নেই। তবে সরকারি ঔষধ বিক্রি বিষয় অফিস কর্মকর্তা ও মাঠ কর্মীরা বলেন, আমাদের সরকারি ঔষধসহ বিভিন্ন ঔষধ নিয়ে মাঠে যাওয়ার ব্যাপারে সিটি কপোরেশনের ডাক্তার মো. মতিউর রহমান জানেন। অনিয়মের বিষয় ডাক্তার মতিউর রহমান বলেন, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অনিয়মের বিষয় আমি জানি কে বলেছে। কোন নিয়মে আছে মাঠকর্মীরা ঔষধ নিয়ে মাঠে গিয়ে রোগীর চিকিৎসা দিবে এমনকি সরকারি ঔষধ তারা বিক্রি করবে। তিনি আরো বলেন, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র আরবার প্রাইমারী হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস পরিচালনা করে সেখানে আমার নাম কে বলেছেন। নগর স্বাস্থের সেবা এখন বাণিজ্যিক হয়েছে বলে অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাইমারী হেলথ কেয়ারের অনুমতিতে চলে তারাই ভালো জানেন। তবে নগর স্বাস্থের চিকিৎসার খাতের অনিয়মের বেশ কয়েকটি দিক তুলে ধরা হয় ডাক্তার মতিউয় রহমানকে। তিনি সকল অনিয়মের বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে যান