শনিবার, ২৫ Jul ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> বরিশালে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গসহ মুসলিম উম্মাহ শান্তি কামনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সব শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
রোববার (১০ জুলাই) সকাল ৭ টায় শহরের বান্দরোডস্থ হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে প্রধান এ ঈদের জামাত পরিচালনা করেন বরিশাল পোর্টরোড কেরামতিয়া জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব কাজী মাওলানা মো. সাইদুর রহমান কাসেমী।
নামাজ আদায় শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুসুল্লিরা।
প্রধান ঈদের জামাতে বরিশাল সিটি করপোরেশেনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসান এবং জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারসহ রাজনৈতিক, সামাজিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নামাজ আদায় করেন।
এরআগে শুভেচ্ছা বক্তব্যে বরিশাল সিটি করপোরেশেনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, এ ঈদ আমাদের বরিশালবাসীর জন্য একটু আলাদা। কারণ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে এবারে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয়েছে। আর সেই পদ্মাসেতু হয়ে আমাদের মধ্যে বরিশালে স্বজনদের কাছে এসেছে।
এসময় তিনি বলেন, আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন। আমার বাবা দক্ষিণাঞ্চলের আমাদের অভিভাবক, তার সঙ্গে সকালে কথা হয়েছে। তিনিও আপনাদের কাছে দোয়া চেয়েছেন, তার জন্যও দোয়া করবেন। একই সাথে আমরা সবাই সবার জন্য দোয়া করবো। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে ভালো রাখেন।
এসময় তিনি পশু কোরবানিরর বর্জ্য অপসারণে ১২শ পরিচ্ছন্নতা কর্মী দুপুর ২ টা থেকে মাঠে নামবেন বলে জানিয়ে বলেন, চার ঘণ্টা সময়সীমা বেঁধে নিয়ে বিকেল ৬ টার মধ্যে শহর পরিষ্কার থাকবে।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসান বলেন, বরিশালবাসীয় পদ্মাসেতু পেয়েছে। এবারই প্রথম ধর্মীয় উৎসবে সবাই আমরা এ সেতু ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে বাড়িতে পৌঁছেছি। দক্ষিণাঞ্চলে যে উন্নয়ন হয়েছে তার সুফল আমরা পাচ্ছি। দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি বিদ্যুৎবিভ্রাট হয়েছে, সেখানে আমরা ভালো ছিলাম। দক্ষিণাঞ্চলে আরও বড় বড় প্রকল্প রয়েছে। ভূরঘাটা থেকে বরিশাল পর্যন্ত ফোরলেন এবং তার পাশে সার্ভিসলেনের কাজ শুরু হয়েছে। যা শেষ হলে তার সুফলও পাবে বরিশালবাসী।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, জেলা প্রশাসক হিসেবে আমি আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবো। আপনাদের কল্যাণে, রাষ্ট্রের কল্যাণে পাশে আছি। আপনাদের প্রতি অনুরোধ চামরা আমাদের জন্য মুল্যবান সম্পদ, কারণ এটি রপ্তানিযোগ্য পণ্য। তাই এটি সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতি ছাগলের চামরায় ৪-৫ কেজি ও গরুর চামরায় ৮-৯ কেজি লবণ দিন। কারণ এটি ঢাকায় পাঠাতে ৪-৫ দিন সময় লাগবে, আর নিজ উদ্যোগে সংরক্ষণ করলে সেটি নষ্ট হবে না।
বরিশালে প্রধান ঈদগাহ সহ গোটা জেলায় জুড়ে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মসজিদে সকাল ৭ টা থেকে ৯ টার মধ্যে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন চলছে পশু কোরবানী।’