শুক্রবার, ১৭ Jul ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক :: নভেল করোনাভাইরাসের কারণে যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন কিংবা যারা লকডাউনে আটকা পড়েছেন, তারা কী ভাবছেন? শেষ হলেই বিশাল একটা পার্টি দেবেন নাকি দূরে কোথাও ঘুরতে যাবেন?
যদি এমন পরিকল্পনা থাকে, তবে এখনই সেটি ঝেড়ে ফেলুন। বন্দিদশা শেষ হলেই যে বিপদ কেটে যাচ্ছে, বিষয়টি তেমন নয়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ভাইরাস থেকে কমপক্ষে দুই বছরের আগে পৃথিবীবাসীর মুক্তি মিলছে না। অর্থাৎ এই সময়ের আগে পৃথিবী পূর্বের অবস্থায় ফিরবে না। ততদিন তাহলে কী হবে?
চলতি বছরের শেষ নাগাদ কার্যকরী কোনো ভ্যাকসিন না আসলেও যেকোনো ধরনের ওষুধের ব্যবহার শুরু হতে পারে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে। কয়েকটি কোম্পানির ওষুধে করোনা সারার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি- গিলিয়াড সায়েন্সেসের রেমডিসিভির ওষুধ একটি। ওই ওষুধ প্রয়োগে অধিকাংশ রোগী ৬ থেকে ১০ দিনের ভেতর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
কোনো ওষুধ না পাওয়া গেলেও লকডাউন কিছুটা শিথিল করবে অধিকাংশ দেশ, অন্তত অর্থনীতি বাঁচিয়ে রাখতে। এখন যারা সুস্থ আছেন ওই সময়ে তাদের ঝুঁকি বেশি।
হোয়াইট হাউসেরর করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ডা. ডিবোরাহ বার্কস বলছেন, ‘আমি সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চাই এটি অতিমাত্রায় ছোঁয়াচে রোগ। লকডাউন শেষ হলেও সামাজিক দূরত্ব, শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে।’
সামনের দিনগুলোতে হাত ধোয়ার অভ্যাস বন্ধ করা যাবে না বলে মন্তব্য তার, ‘সুস্থ থাকতে নিয়মিত হাত ধোয়ার বিকল্প নেই। তাই সব সময় এটি স্মরণ রাখতে হবে।’
যারা সম্প্রতি ‘সুস্থ’ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাদের সঙ্গেও মেলামেশা বন্ধ রাখতে হবে। কমপক্ষে আরও ১৪ দিন পর কাছে যেতে পারেন। কারণ এই ভাইরাস অনেক সময় সুপ্ত অবস্থা ধারণ করায় কিছুদিনের জন্য রোগীকে সুস্থ মনে হতে পারে। আসলে তিনি অসুস্থ!