মঙ্গলবার, ২১ Jul ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশালে লজিক ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি হাসিবুর, সম্পাদক সিয়াম বাড়ইকান্দি পবিত্র ঈদুল-আযহা উপলক্ষে নাইট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বিবাহিত বনাম অবিবাহিত খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে জিয়াউর রহমান’র শাহদাত বার্ষিকী পালন গাঁজা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় ফেসবুকে হুমকি থানায় মামলার আবেদন। তজুমদ্দিনে অস্ত্র, কার্তুজ ও রকেট ফ্লেয়ারসহ কুখ্যাত ডাকাত হেজু গ্রেফতার। বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র! পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশ বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির
বরিশালে ধর্ষিতা তরুনী দিনে উধাও

বরিশালে ধর্ষিতা তরুনী দিনে উধাও

শাকিব বিপ্লব/ আনোয়ার হোসেন :: বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীর জনপদে ভারসাম্যহীন এক তরুনী ধর্ষিত হওয়া পর এখন আর তার হদিস পাওয়া যাচ্ছে না

 

অথচ সাহেবের হাটের গ্রাম্য শালিসদার পরিচয়হীন ওই তরুনীকে স্থানীয় এক ব্যক্তির জীম্মায় রেখেছিল । ঘটনার এক দিন পর এই নিয়ে শালিস বৈঠকে ধর্ষক হিসেবে দোষী স্বাবস্থ করে জরিমানা ও ধায্য করে।

কিন্তু অকস্মিক ধর্ষিতা উধাও হয়ে যাওয়ার পাশা পাশি এখন শালিসদারও ঘটনা চেপে যেতে কৌশল নিয়েছে। সোজাসপটা বলছে এধরনের ঘটনাই ঘটেনি, তবে অগত এক তরুনীকে ভাত খাওয়া চেস্টাকে ধর্ষনে রুপ দিতে মহল বিশেষ অপপ্রচার শুরু করেছে। অথচ ধর্ষক হিসাবে শিিলস বৈঠকে চিহ্নিত জাহাঙ্গীর আলম নিজেই ঘটনা চক্রে মিডিয়ার কাছে স্বীকাররোক্তি দিয়ে ফেলায় এখন পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতে সেই তরুনীর সন্ধান শুরু করেছে।

এমনটি জানিয়েছে ঘটনার সংশ্লিস্ট বন্দর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন। অবশ্য, পুলিশের দাবী ঘটনার সত্য মিথ্য নিয়ে এক ধরনের ধুম্রজালের সৃস্টি হয়েছে। একাধীক সূত্র জানায়, ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই তরুনী পরিচয়হীন হওয়া যেমন সহায়ক হয়েছে, তেমন স্থানীয় একটি রাজনৈতক গোস্টির প্রত্যক্ষ ভুমিকা রয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধা রাতে ওই তরুনী সম্ভব্যবত বরিশাল শহর থেকে সাহেবের হাট বাজার মুখি যাচ্ছিল। পথি মধ্যে চরপতওনিয়া এলাকার চৌমাথায় পৌছালে সেখানকার বাজারের মুদি দোকানি আলতাফ আকন তরুনীকে ভারসাম্যহীন দেখে তাকে ভাত খাওয়া প্রস্তাব দিয়ে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যেতে ভ্যান চালক খালেক খন্দকারের সহয়তা নেন।

এসময় তিনিও পিছু পিছু যান এবং সাথে আলম হাওলাদার নামক অপর এক ব্যক্তিকে সঙ্গী করেন। প্রত্যক্ষদশীরা হঠাৎ অন্ধকারে ওই তরুনী চিৎকার দিয়ে চরপতওনিয় স্কুলের পাশের নিজাম মুন্সির বাড়িতে ঠেলে ওঠে। পিছন থেকে একে একে সেখানে উপিস্থত হয় ওই তিন ব্যক্তি। তরুনীদাবী ছিল পাশের বাগানে তাকে নিয়ে পালাক্রমে শারীরিক চাহিদা পুরনে জোর জবর দোস্তি চালানো হয়। এসময় তরুনীকে বিবাস্র দেখা যায়।

ঘটনার পারিপাশিকতায় ওই বাড়িতে লোকজনের ভির জমে, খবর রটে যায় ধর্ষনের। স্থানীয় মেম্বার নুর হোসেন ও যুবলীগ নেতা এইচ এম জাহিদ ঘটনার বিচার প্রতিশ্রতিতে আপাতত ওই তরুনীকে উজ্বল কসাই এর বাড়িতে রাখার নির্দেশ দেন।

একদিন পর ৯ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে যুবলীগ নেতা জাহিদের চৌমাথা বাজারের কার্য্যলয় এই নিয়ে শালিস বিচারে আলতাফ আকন, জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদার ও খালেক খন্দকারকে ধর্ষক হিসাবে অপরাধে অভিযুক্ত করে প্রথম দুই জনকে ২৫ হাজার টাকা করে এবং খালেক খন্দকারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য্য করে। আজ মঙ্গলবার এই জরিমানার অর্থ জমা দেয়ার সময় সীমা বেধে দেয়া হয়েছে। জরিমানা এই অর্থ কাকে দেয়া হবে তার কোন সিধান্ত অমিমাংষিত ছিল। কিন্তু জরিমানা অর্থ আদায়ের একদিন অগেই রবিবার সকাল থেকে ধর্ষিতাকে আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।

কোথায় গেল তার জবাব নেই আশ্রয় দাতা জসিম কসাই অথবা যুবলীগ নেতা জাহিদের কন্ঠে। বরং বলছে, ভরসাম্যহীন হওয়া তাকে আটকে রাখা যায়নি। থানা পুলিশকে কেন ঘটনা অবহিত করা হলো না, এমন প্রশ্নে ¯’ানীয়ভাবে প্রভাবশালি জাহিদের দাবী শালিসতো দুরের কথা ,ধর্ষনের কোন ঘটনাই ঘটেনি। এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপ কালে তার ভাষ্যছিল, তরুনীপাগলি বটে। যা বলেছিল বিশ্বাস যোগ্য নয়। তাছাড়া যাদের ধর্ষক হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে অদৈাও তাদের শরীরে এধরনের শক্তি সামার্থ নেই। এটা অপপ্রচার মাত্র, তবে খবরটি চেপে যেতে বিনীত অনুরোধ রাখেন।

এদিকে মিডিয়া কর্মীদের কৌশলী জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষক হিসাবে স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেছে করার কিছূই নেই শালিস দারের বিচার মেনে নিয়েছি। এতেই প্রমান করে ঘটনার সত্যতা। এ বিষয় বন্দর থানা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন এই প্রতিবেদকে জানান তিনি গত কাল কোন এক সংবাদ কর্মীর কাছ থেকে ঘটনা অবহিত হয়েছেন। পদক্ষেপ নিতে ওই তরুনীর সন্ধান শুরু করেছে। বিষয় সম্পকে মেট্রো পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খানও ওয়াকিবহাল, তার নির্দেশ তরুনীকে খুঁজে পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হোক। কিন্তু তরুনীর বর্তমান অবস্থান জানাতে গ্রামবাসীরাও রহস্যের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯