বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি :: ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলাধীন গালুয়া ইউনিয়নের পুটিয়াখালী গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলা ও বসতবাড়ীতে ভাংচুর করে মালামাল লুট সহ জমি দখলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় মামলা দায়েরের ঘটনা ঘটে।
গত ২০ডিসেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাত অনুমানিক ৮টার সময় এই ঘটনা ঘটে। প্রতিপক্ষের হামলার ঘটনায় মোঃ শহিদুল ইসলাম, শাহিদা, জেন্নাত আলী ও হাজেরা খাতুন গুরুতর আহত হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন। উক্ত ঘটনায় আহত শহীদুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজাপুর থানায় ১টি অভিযোগ দায়ের করে।
বাদীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের পুটিয়াখালী গ্রামের সাতআনী এলাকার জিন্নাত আলী বেপারীর ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম তার নিজ গ্রামের জে এল ৪০ খতিয়ান নং ২৯৪৬ খতিয়ানের দাগ নং ১৭১২/১৭১৪ এবং ১৬৬৪ খতিয়ানের ১৩ শতাংশ জমি এবং শহিদুল ইসলামের মামা (অবঃ) পুলিশ পরিদর্শক মোফাজ্জেল হোসেন এর একই দাগে ৯ শতাংশ জমি ভোগ দখল পূর্বক বসতঘর নির্মান করিয়া বসবাস করিতে ছিল।
গত ২০/১২/২০১৯ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার সময় একটি সশস্ত্র উপজেলার ভাতকাঠী গ্রামের রুস্তুম আলী খাঁ এর ছেলে মোঃ আবু হানিফ খাঁ, পুটিয়াখালী গ্রামের সোবাহান এর ছেলে মোঃ জয়নাল, সোবাহান হাওলাদার এর ছেলে জাফর, লাল খাঁ এর ছেলে রাশেদ খাঁ, আদাখোলা গ্রামের চাঁন খাঁ এর ছেলে সাইদুল, ভাতকাঠী গ্রামের নেসের খাঁ এর ছেলে রুস্তুম খাঁ সহ অজ্ঞাত ৩০/৪০ জন মানুষের একটি দল লাঠিসোটা, রামদা নিয়ে শহিদুলের বসতঘরে অতর্কিত ভাবে হামলা চালিয়ে ঘরে থাকা শহিদুল সহ তাদের ৪জনকে গুরুতর আহত করে, ঘরবাড়ি ভাংচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ বিষয় আহত মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, বর্তমানে আমরা আহত সবাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছি। আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। প্রতিপক্ষরা বেআইনি ভাবে আমার জমি দখল করার জন্য জনতাবদ্ধ হয়ে আমার বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশপূর্বক আমার বসত ঘরে ঢুকিয়া খুন করার উদ্দেশ্যে আমাদের উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে, আমাদের ঘরের ভিতরে থাকা মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা রাজাপুর থানার এস আই খোকন হাওলাদার জানান, শহীদুলের বসতঘরে হামলার ঘটনায় শহীদুল বাদী হয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে (যার নম্বর-১৫) মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। সেই সাথে আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।