মঙ্গলবার, ২১ Jul ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেক্স : আজ বিশ্ব নদী দিবস। দিবসের এ বারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ” নদী একটি জীবন্ত সত্ত্বা এর আইনী অধিকার নিশ্চিত করুন ”
নদীর জায়গা নদীকে ছেড়ে দিন- নদীকে তার প্রবাহমান গতিতে এনে দিন।
প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ রবিবার বিশ্ব নদী দিবস পালন করা হয়।
এ উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ব নদী দিবস সম্মিলিত উদযাপন পর্ষদের আয়োজনে আজ নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরে ডিসি ঘাট সংলগ্নে এক মানববন্ধন ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন কিন্তু আমরা এই আন্দোলনের সাথে একাত্বতা হতে চাই। আমাদের হাতকে শক্তিশালী এবং কাজকে বেগবান করার জন্য আমরা যাতে কাজকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে করতে বাধ্য হই, তার জন্য যে আন্দোলন তাকে স্বাগত জানাই। এক ধরনের কুচক্রী মহল কাজ করতে গেলে বাধা দেয়। তাদের প্রতিহত করতে এধরণের সামাজিক আন্দোলন আমাদের কাজে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, নদী কমিশনের জেলা পর্যায়ের সভাপতি হিসেবে জেলার নদীগুলো রক্ষা করা আমার দায়িত্বের মধ্যে পরে। বরিশালের নদীগুলোকে আগের রূপে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবো। অবশ্য এর সাথে অনেক বিষয় রয়েছে। শুধুমাত্র অপদখল নয়,নদী দূষণ একটি অন্যতম কারণ। কীর্তনখোলা নদীসহ সমস্ত নদী দখলদারদের তালিকা ইতোমধ্যে প্রনয়ণ করা হয়েছে। এ সময় প্রধান অতিথি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন,এ বছরই যারা নদীর দুই পাড়ে অপদখলকারী আছে, তাদের উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করতে পারবো। এ জন্য বি.আই ডব্লিউ. টি.এ, বরিশাল সিটি করপোরেশন, এবং পারি উন্নয়ন বোর্ডকে চিঠি দেয়া হয়েছে। তাদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি দ্রুত উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করবে।
যেহেতু অপদখকারীরা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হয়ে থাকে তাই সামাজিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন।
দিবস উদযাপন পর্ষদের আহবায়ক উন্নয়ন সংগঠন রনজিৎ দত্তের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন রান এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ রফিকুল আলম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন,বি আই ডব্লিউ টি এর উপ-পরিচালক মোঃ আজমল হুদা মিঠু সরকার, এডাবের জেলা সভাপতি কাজী জাহাঙ্গীর কবির, আই সি ডিএ’র উপদেষ্টা আনোয়ার জাহিদ, বেলার আঞ্চলিক কর্মকর্তা লিংকন বায়েন, ডাঃ সৈয়দ হাবিবুর রহমান, মহিলা পরিষদের জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক পুস্প চক্রবর্তী, বিডি ক্লিনের সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে কীর্তনখোলা নদীর ফোরসোর এলাকায় সীমানা পিলার স্থাপন, অবৈধ দখলদারদের তালিকা হালনাগাদ করে তাদের উচ্ছেদ করে নদীর তীরে ওয়াকওয়ে করে গাছ লাগানোসহ ১৫ দাবি উত্থাপন করা হয়।