বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বরিশালে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে খুন হলেন প্রেমিকা উজিরপুরে মামলার এক বছর: আসামি গ্রেফতারে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহার অভিযোগ ইউএনও ও সাংবাদিকের যৌথ উদ্যোগে মাথা গোঁজার ঠাঁই ও কর্মসংস্থান পেলেন অসহায় মাহিনুর বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় যুবকের মৃত্যু বরিশালের জেল খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলা ভবন: নেপথ্যে সিটি কর্পোরেশনের ‘দুর্নীতিবাজ’ চক্র! পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশ বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির নারায়ণগঞ্জ ভূমি বারান্দায় প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহপাঠীর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সারাদেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন আবারও হামলা সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে
আজ দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন

আজ দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন

আজ দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন
আজ দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন

এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আজ ৩ মার্চ (মঙ্গলবার) পূর্ণিমা ও পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের ফলে আকাশে দেখা যাবে বিশেষ রক্তিম চাঁদ, যা ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ নামে পরিচিত। নাসার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে এই বিরল দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী আজ বিকাল থেকে এই গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের মূল পর্যায়গুলো হলো-

পূর্ণগ্রাস শুরু: বিকাল ৫টা ২৮ মিনিট।

পূর্ণগ্রাস শেষ: সন্ধ্যা ৬টা ০২ মিনিট।

খণ্ডগ্রাস সমাপ্তি: রাত ৮টা ২৩ মিনিট।

কেন একে ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ বলা হয়

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, মার্চ মাসের পূর্ণিমাকে ঐতিহ্যগতভাবে ‘ওয়ার্ম মুন’ বলা হয়। কারণ এই সময়ে শীত শেষে মাটি উষ্ণ হতে শুরু করলে কেঁচো বা পোকামাকড় মাটির ওপরে উঠে আসে। আর পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সূর্যের লাল আলো প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের ওপর পড়লে চাঁদ গাঢ় লাল বা তামাটে আভা ধারণ করে, যাকে বলা হয় ‘ব্লাড মুন’। এই দুইয়ের সমন্বয়ে আজকের চাঁদটি ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

সূর্যগ্রহণের মতো চন্দ্রগ্রহণ দেখতে কোনো বিশেষ চশমার প্রয়োজন নেই। আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে খালি চোখেই এই দৃশ্য সম্পূর্ণ নিরাপদে দেখা যাবে। তবে দূরবীন বা টেলিস্কোপ থাকলে লাল আভার সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়বে। যারা ছবি তুলতে চান, তারা ডিএসএলআর ক্যামেরায় আইএসও কিছুটা বাড়িয়ে চমৎকার দৃশ্য বন্দি করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, এবারের গ্রহণটি সন্ধ্যার দিকে পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পুরোপুরি দৃশ্যমান হবে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিমাংশ থেকেও এটি দেখা যাবে, তবে ইউরোপ ও আফ্রিকায় এটি দৃশ্যমান হবে না।

আরো পড়ুন

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯