বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অপেক্ষা করছে দীর্ঘ অবকাশের হাতছানি। ক্যালেন্ডারের পাতায় সরকারি ছুটির যে বিন্যাস তৈরি হয়েছে, তাতে সামান্য কৌশলে টানা ১০ দিনের ছুটি উপভোগ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার ঠিক পরপরই রয়েছে আরও কিছু নির্ধারিত ছুটি। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই দীর্ঘ ১০ দিনের পরিকল্পনা করা সম্ভব:
২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মোট ৫ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সেই হিসেবে সরকারিভাবে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকবে।
১৯-২৩ মার্চ: ৫ দিনের নির্ধারিত ঈদের ছুটি।
২৪ ও ২৫ মার্চ (মঙ্গলবার ও বুধবার): এই দুই দিন কোনো নির্ধারিত ছুটি নেই। তবে এই দুই দিন নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ছুটির বহর অনেক বেড়ে যাবে।
২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার): স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি।
২৭ ও ২৮ মার্চ (শুক্রবার ও শনিবার): সাপ্তাহিক ছুটি।
অর্থাৎ, মাঝখানের মাত্র ২ দিন ছুটি নিলেই ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিন কর্মস্থল থেকে দূরে থাকার সুযোগ থাকছে।
বেসরকারি ও গার্মেন্টস খাতের চিত্র
সরকারি খাতে দীর্ঘ ছুটির সুযোগ থাকলেও বেসরকারি বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরে সাধারণত ৩ থেকে ৪ দিনের ঈদ ছুটি দেওয়া হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে ওভারটাইম বা কাজের দিন সমন্বয় করার মাধ্যমে শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের বাড়তি ছুটি দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে।
এক নজরে ছুটির ছক:
১৯-২৩ মার্চ: ঈদের ছুটি (৫ দিন)
২৪-২৫ মার্চ: ঐচ্ছিক/নৈমিত্তিক ছুটি (২ দিন)
২৬ মার্চ: স্বাধীনতা দিবস (১ দিন)
২৭-২৮ মার্চ: সাপ্তাহিক ছুটি (২ দিন)
মোট: ১০ দিন