সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> সিলেটের গোয়াইনঘাটে নৌপথে চাঁদাবাজির মামলায় সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া আজমল হোসেনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তাররা হলেন গোয়াইনঘাট উপজেলার লেঙ্গুড়া গ্রামের বাসিন্দা আজমল, একই এলাকার বাসিন্দা সুলতান আহমদ, বিল্লাল মেম্বার, সুবহান, শাকিল, ফারুক মিয়া ও ফয়সল মৌলবী।
শনিবার (৯ জুলাই) রাত ৩টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র জানায়, আজমলের নেতৃত্বে একটি দল নৌকা ও বাল্কহেড আটকে চাঁদাবাজি করতেন।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা করেন সদর ইউনিয়নের আব্দুল হালিম নামের এক ব্যক্তি। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ গতকাল শনিবার রাত ৩টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জে অভিযান চালিয়ে আজমলসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার দুপুরে তাদের গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
চাঁদা না দিলে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিতারাই নৌঘাটের নৌকার মাঝিদের ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে আজমল। যারা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থলে বাল্কহেড, নৌকা ও কার্গো জাহাজ আটকে রাখেন। এ ঘটনায় আজমলকে প্রধান আসামী করে গোয়াইনঘাট থানায় ৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৮ জুন ভোরে আজমলসহ শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তি গোয়াইঘাট থানাধীন লেঙ্গুড়া বালু মহালে অবস্থান নিয়ে বালু ব্যবসায়ী ও নৌকার মালিকদের কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
অভিযুক্ত আজমলের পরিচয় নিশ্চিতে সদ্য বিলুপ্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলার ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সালমান খুরশেদের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার মোহাম্মদ তোফায়েল আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘চাঁদাবাজির মামলায় সাতজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’