বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সরকারি গাড়িতে চড়বেন না প্রধানমন্ত্রী চাঁদা চাইলে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখবেন’ সেহরি-ইফতার-তারাবিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সংসদে গিয়েই তিন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সারাদেশে সিন্ডিকেট ভাঙার পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে : বিমান প্রতিমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত পাচ্ছে ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপির ২ নেতাকে বহিষ্কার গাইবান্ধা মাদক নিরাময় কেন্দ্রের আড়ালে ‘টর্চার সেল’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গুলিতে হত্যা মামলার সাক্ষী এবার বলি ২৫জন মন্ত্রী শপথ নিলেন নতুন সরকারের যাত্রা শুরু ইরানের ভয়ংকর ফাঁদে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র? শরীয়তপুরে দুই পরিবারের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৭ ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে, গোপন কক্ষে ছবি নয়: ইসি আগামীকাল থেকে ৮২ ঘণ্টা নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত পাচ্ছে ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত পাচ্ছে ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত পাচ্ছে ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত পাচ্ছে ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গেজেট অনুযায়ী, ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি জোট এবং ১৩টি জামায়াত জোট পেতে পারে বলে জানিয়েছে কমিশন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি, এনসিপি ৬টি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ১টি। গণঅধিকার পরিষদ ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি, খেলাফত মজলিস পেয়েছে ১টি আসন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৭টি আসন। জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি জোট ২১১টি আসন, জামায়াত জোট ৭৪টি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসন পেয়েছে। ফলে স্বতন্ত্ররাও সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারেন।

সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা প্রয়োজন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও কোনো জোটে যুক্ত হয়ে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। তবে স্বতন্ত্ররা কোনো জোটে যোগ দিলে আসনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

এদিকে, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত রাখা হয়েছে। বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনের একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেখানে ভোট স্থগিত হয়েছে। এ চারটি আসনের ফলাফল প্রকাশের পর সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা কম বা বেশি হতে পারে।

 

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে কমপক্ষে ছয়টি নির্বাচিত আসন প্রয়োজন। তবে চাইলে দলগুলো জোটবদ্ধভাবে নারী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে, এতে কোনো আইনি জটিলতা নেই।

 

ইসি জানায়, সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ চলতি বছরের মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ইসি এসব আসনের ভোট আয়োজন করবে।

 

 

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোট দেবেন ত্রয়োদশ সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা। প্রতিটি রাজনৈতিক দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুযায়ী একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। একক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না। তবে প্রার্থী একের বেশি হলে ভোট নেওয়া হয় এবং সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীরাই নির্বাচিত হন।

 

আইন অনুযায়ী, শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিতে পাঠানো হয়। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট প্রকাশের ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দল বা জোট তাদের প্রার্থী তালিকা ইসিতে জমা দেয়। এরপর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ইসি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য শপথগ্রহণ করা সদস্যদের দলভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করে।

আরো পড়ুন

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯