বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
মামুন আহমেদ, বানারীপাড়া:: করোনা প্রাদুর্ভাবে লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে বোরো ধান ঘরে তোলার সময় হয়েছে। করোনা সংক্রমণ ছাড়াও আগাম বন্যার আশঙ্কা থাকায় এবার অল্প সময়ের মধ্যেই ধান পাকার সঙ্গে সঙ্গে বোরো ধান সংগ্রহ করতে হবে। এ সময় যাতে দেশে খাদ্য সংকট দেখা না দেয় এজন্য সবাইকে কৃষকের পাশে থাকতে হবে। তাদের কষ্টার্জিত ঘামে উৎপাদিত ফসল যাতে নষ্ট হয়ে না যায় এ জন্য ফসল তোলার কাজে সবাইকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করতে হবে। কৃষক সঠিকভাবে ধান সংগ্রহ করতে পারলে দেশে খাদ্য সংকট দেখা দেবে না। খাদ্যের অভাব না হলে আমাদের মনে থাকবে সাহস ফলে মহামারী করোনাভাইরাসের সঙ্গে প্রতিরোধ যুদ্ধে জয়ী হতে পারবো। কৃষকরা তাড়াতাড়ি ফসল ঘরে তুলতে পারলে পরবর্তী ফসলের জমিও তাড়াতাড়ি প্রস্তুত করতে সক্ষম হবে। ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কৃষকের ধান কাটতে সাহায্য করার জন্য শ্রমিকদের নির্বিঘ্নে চলাচল ও সকল জনসাধারণকে কৃষকের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সদস্যরা-সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে ধান কেটে ফসল ঘরে তুলে দিয়েছে। এ ছাড়াও সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের এক কৃষকের ফসল স্বেচ্ছাশ্রমে কেটে ঘরে তুলে দিয়েছেন তাহিরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ-সহ শিক্ষক ও কর্মচারীরা। এরই মধ্যে সরকার পরবর্তী আউশ ধানের বীজ ও প্রয়োজনীয় সার বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ শুরু করেছেন। এই বোরো মৌসুমের শুরুতে কৃষকের ধানের বাজার মূল্য কম থাকার কারণে হাতে পর্যপ্ত টাকা না থাকায় ধান চাষে কিছুটা অনীহা থাকায় অনেক জমি অনাবাদী রয়েছে। সরকার এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগে আলাপ-আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছেন।