রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক :: করোনা আর লকডাউনে খাবার নেই জলিশা আবাসন প্রকল্পের কর্মহীন অর্ধশতাধিক ছিন্নমূল পরিবারের ঘরে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার জলিশা আবাসন প্রকল্প পরিদর্শণে এসব করুণ চিত্র দেখা গেছে।
আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দাদের অভিযোগ, করোনা প্রভাবের শুরুতে জেলা পরিষদ থেকে আমাদের ঘর প্রতি ৫ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল এবং উপজেলা পরিষদ থেকে ১ কেজি চাল, আধা কেজি আলু, ১ পোয়া ডাল দেওয়া হয়েছে। যা ৫ দিনের মাথায় শেষ হয়ে গেছে।
এছাড়া আমরা কোন ত্রাণ সহায়তা পাইনি। শুনেছি সরকার নাকি আমাদের জন্য অনেক বরাদ্দ দিয়েছে কিন্তু চোখে দেখিনা।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি, সরকার থেকে যে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে তা অপ্রতুল। ফলে সবাইকে একসঙ্গে দেওয়া যাচ্ছে না। দিনমজুর দেলোয়ার বলেন, আজকে ১২ দিন হলো আমাদের কেউ খোঁজ নেয়নি। সরকার থেকে কিছুই পাইনি। ২ দিন ধরে ঘরেও খাবার নেই। চেয়ারম্যান-মেম্বার সবাইকে বলেও ত্রাণ পাচ্ছি না। তবে করোনার শুরুতে জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ থেকে সামান্য কিছু পেয়েছি যা ৫দিনে শেষ হয়েছে।
দিনমজুর ফোরকান আলী জানান, সরকার বলছে ঘরে থাকলেই খাবার পাঠানো হবে। কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত কিছুই পাইনি।
গৃহিনী জুহেরা বিবি বলেন, সাহায্য তো দূরের কথা এখন পর্যন্ত এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বারদের কেউ আমাদের খোঁজখবরও নেয়নি।
ইউপি সদস্য মো. কামাল ফরাজী বলেন, আবাসনের বাসিন্দারা অসহায় ঠিকই, কিন্তু পরিষদ থেকে প্রতি ওয়ার্ডে ত্রাণ সাহায্যের নাম দেওয়া যায় মাত্র ১০/১২টি। এ কারনে একবারে তো সবাইকে দেওয়া যায় নাই। পর্যায়ক্রমে তাদেরকেও দেওয়া হবে।
আংগারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. সুলতান আহম্মেদ হাওলাদার বলেন, সরকার থেকে যে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। এর মধ্যে আবার উপজেলা পরিষদ ভাগ বসিয়ে প্রায় ৮শ কেজি কেটে রাখায় মাত্র ২টন চালে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। আবার সবাইকে একসঙ্গে দেয়াও যাচ্ছে না। পর্যায় ক্রমে সবাইকেই দেওয়া হবে।