মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
আনোয়ার হোসেন :: বরিশাল নগরীর কাউনিয়া ৩নং ওয়ার্ডে শহীদ আরজু মনি স্কুলের পঞ্চিম পাশে ষ্টীল ফার্নিচার ব্যবসায়ী বেল্লাল এলাকার মানুষের কাছ থেকে ৮৫ লাখ টাকা নিয়ে রাতের আধারে পরিবারবর্গসহ পালিয়ে যায়।
গত ৭ এপ্রিল কাউনিয়া এলাকার একটি বাসা থেকে ব্যবসায়ীর ছোট ছেলে সোহেলকে এলাকার পাওনাদারেরা পেয়ে থানায় নিয়ে জায়। থানায় ওসি আজিম না থাকায় এক সংবাদকর্মী ওসি সাথে ফোনে বিষয়টি আলোচনা করেন এবং ওসি আজিম সবাইকে বসতে বলেন। তিন ঘণ্টায়ও না আসায় ফের ওই সংবাদকর্মী যোগাযোগ করিলে সে বলেন, রাত ৮টার সময় থানায় আসবেন। কিন্তু সবাই ঠিক সময়ে থানায় হাজির। ওসি আসেন রাত সাড়ে দশটায়।
অফিসে এসে প্রথমে সংবাদকর্মীদে উল্টো প্রশ্ন চিনেও না চেনার ব্যান! আপনি কে পরিচয় দিলে বলেন পাওনাদারকে কি ঝোর করে নিয়ে আসছেন। কেনও থানায় আনছেন, আপনি আনার কে? চৌখশ পুলিশ কর্মকর্তার কথার কোন উত্তর না দিয়ে বেড় হয়ে যান ওই সাংবাদিক। তার পড়ে সবাইকে একিভাবে বেড় করে দেন ওই চৌখশ পুলিশ অফিসার আজিম।
পাওনাদার খালেদা বেগম অনুসন্ধান ২৪কে বলেন, তিনি কাউনিয়া এলাকার ভাড়াটিয়া বাসায় থাকেন। আত্মসাৎকারী বেল্লাল ও তার দুই ছেলে আমার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে ব্যবসার উদেশ্য।
যাহার চেক বই ও এস্টামে উল্লেখ আছে। আমি শুনি বেল্লাল তার পরিবারবর্গ নিয়ে পালিয়েছ। কিন্তু তার ছেলেকে পাওয়া গেছে। তাই গত ৭ এপ্রিল তার ছেলেকে নিয়ে কাউনিয়া থানায় যাই একটি সমাধানের উদেশ্য। আমার বয়স হয়েছে আমি হাটতে পারছিনা তার পরও কষ্ট করে সুষ্ঠ সমাধানের জন্য আমাকে এক সংবাদকর্মী সেখানে নিয়ে যায়। কাউনিয়া থানার ওসি তার মায়ের বয়সের বয়সী আমি সে আমাকে ৭ ঘন্টা বসিয়ে রেখে মামলাতো নিলোই না বরং জিডিও নিবেনা বলে আমাকে রাত ১১ টার সময় থানা থেকে বের করে দেয়। আমার ভাবতে বড় কষ্ট হয় ওসি কি কোনোও মায়ের সন্তান না। সে কি করে একটি জিডিও নিলোনা আবার জিজ্ঞাসা করে আত্মসাৎকারীকে কেনোও থানায় নিয়ে আসলাম। আমি তার বিরুদ্ধে পুলিশ কমিশনার সারকে ওপেন হাউডেতে জানাবো।
অন্যন্যা পাওনাদারেরা বলেন, আত্মসাৎকারীকে উদ্ধারের পরে থানা নিলাম যাহাতে সুন্দর সমাধান হয় সেখানে গিয়ে আরো ওসির উল্টো কথা শুনতে হলো। এবং তাকে কেনও থানায় আনলাম, আমরা বা কেন থানায় গিয়েছি! কার কথায় গিয়েছি। এটা কি করে একজন ওসি বলতে পাড়ে আমরা তার বিচার চাই। আমরা সবাই তার বিরুদ্ধে কমিশনার সারকে জানাবো। মামলা নেওয়ার বিষয়টি মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের ওসি আশ্বাস দেয়। এরপরও একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কমিশনার সারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করিলে মোবাইল ফোনে তাকে পাওয়া যায়নি।
কাউনিয়া থানা শাখার মানবাধিকার কমিশনের সহ সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক এবং সাংবাদিক একাধিকবার চেষ্টা করেও মামলা নেওয়াতে পারেননি তাঁরা। এলাকার বাসিন্দা হিসেবে বিষয়টি পুলিশ কমিশনার সারকে জানাবেন।
আজ শুক্রবার এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ব্যাপারে থানায় কোনো মামলা হয়নি