বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
বরিশাল কাউনিয়া বেল্লাল হোসেন সওদারকার সজিব সওদাকার ও সোহেল সওদাকার তারা তিন জন ভাপ ভেটা বাড়ি পটুয়াখালী জেলা, বাউফল উপজেলা, কালাইয়া গ্রামের তিন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোটি টাকা নিয়ে পরিবারসহ উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এনজিও ও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থকে ব্যবসা এবং জমি দেয়ার কথার সূত্রে তারা এই টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎদের মামলার প্রক্রিয়া চলছে। তারা বিশ বছর যাবৎ বরিশাল কাউনিয়া ৩নং ওয়ার্ডে জমি ক্রয় করে বসবার করে আসছিল। এলাকার লোকের মন জয় করে সবার কাছে প্রিয় হয়েছিল। তারা ভাপ-ভেটা মিলে কাউনিয়া নিজের বাড়িতে ষ্টীলের ফার্নিচার তৈরি করতো। এক সময় বেল্লাল অসুস্থ হলে তার চিকিৎসা ৩০ লাখ টাকা খরচ হবে যেনে, বাড়ি বিক্রি করার উদের্শ্য এলাকার লোকদের কাছে জানান। তবে সে মানুষের কাছে অতি প্রিয় হওয়ায় সবাই বাড়ি না কিনে ৩০ লাখ টাকা দাড় দিয়ে সহযোগীতা করেন। বেল্লাল সুস্থ হলে আবার ব্যবসার কথা বলে, মানুষের হাতে পা ধরেন এবং ব্যবসা পুনরায় করার জন্য আরো তাদের কাছ থেকে চেক ও এ্যাসটামে স্বাক্ষর দিয়ে টাকা ধাড় নেন। শাহাআলম পুলিশ অনুসন্ধান ২৪কে বলেন, বেল্লালের সঙ্গে আমার প্রতিবেশী সম্পর্ক। বেল্লালের ব্যবসা বাবদ আমি তাঁর কাছে ৩ লাখ টাকা পাব। ৬ মার্চ জানতে পারি, বেল্লাল রাতের আঁধারে পরিবারের স্বজনদের নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন। শুধু আমিই একমাত্র পাওনাদার নই। তাঁর কাছে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী এবং এনজিও টাকা পাবে। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, সবার কাছ থেকে বেল্লাল চেক জালিয়াতি করে টাকা নিয়েছেন। তবে তিনি আরো বলেন, এমন ভাবে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন কেউ কারাও ব্যাপারে জানতো না। পুরানপাড়া খালেদা বেগম বলেন, আমার জামাইর কিছু জমি ক্রয়ের টাকা আছে যেনে আমার হাত পা ধরে ৫ লাখ টাকা এক মাসের কথা বলে নিয়েছে। এমনকি আমাকে দিয়ে এনজিও ১ লাখ টাকা উঠান সেই টাকা এখন আমাকে দিতে হচ্ছে। এভাবে প্রতিবেশীরা ৮৫ লাখ টাকা পাবেন।
এলাকার ব্যবসায়ী বাবুল হোসেন অভিযোগ করেন, আমার টাকার কোন মূলধন নেই। ‘রাতের আঁধারে বেল্লাল গা ঢাকা দিয়েছেন জানার পর তাঁর ছোট ছেলেকে টাকার জন্য চাপ দিই। এ কারণে বিভিন্ন মুঠোফোন থেকে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো হুমকি দিচ্ছে। আমি আদালতে মামলা করবো। কাউনিয়া থানার (ওসি) আজিম হোসেন কোন জিডি নেয়নি।