বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির নারায়ণগঞ্জ ভূমি বারান্দায় প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহপাঠীর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সারাদেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন আবারও হামলা সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে কুষ্টিয়া ইবি শিক্ষিকাকে কুপিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন করে উদ্যোগ শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে: চিফ প্রসিকিউটর মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের শক্তি প্রদর্শন ইসরাইলের লাশের হাহাকার চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পরীক্ষার সময় টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী: শিক্ষামন্ত্রী ৩ মিনিটে ২ গোল চীনকে চমক দিলো বাংলাদেশ মেট্রোরেল ও ট্রেন ভাড়ায় ছাড় পাবেন যারা আজ দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন
শর্তসাপেক্ষে খোলা যাবে খাবার হোটেল: সাজ্জাদুর রহমান

শর্তসাপেক্ষে খোলা যাবে খাবার হোটেল: সাজ্জাদুর রহমান

নিউজ ডেস্ক :: করোনার বিস্তার রোধে রাজধানীসহ সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধসহ বেশকিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার।

তবে কাঁচাবাজার, মুদি দোকান, ওষুধের দোকান এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে। এসবের সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে খাবারের হোটেল খোলা রাখা যাবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। তবে দোকানে বসে কেউ খেতে পারবে না। কারও প্রয়োজন হলে খাবার কিনে বাসায় নেওয়া যাবে।

ডিএমপি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষ যেন দু্র্ভোগে না পড়ে সেজন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার কথায়, ‘করোনা প্রতিরোধে সব সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে হোটেল খোলা রাখা যাবে।

তবে ভেতরে বসিয়ে খাবার পরিবেশনের সুযোগ নেই। ক্রেতারা শুধু পার্সেল নিয়ে যেতে পারবে।’

হোটেল মালিকরা খাবার তৈরি থেকে শুরু করে বিক্রি করার পুরো প্রক্রিয়া যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে করছেন কিনা তা তদারকি করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

যদিও ডিএমপির পক্ষ থেকে শর্তসাপেক্ষে খাবারের হোটেল খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মওদুদ হাওলাদার।

তিনি বলেন, ওয়্যারলেসে নির্দেশনা পেয়েছি, খাবারের হোটেল খোলা থাকবে। তবে দোকানের ভেতরে বসিয়ে কাউকে খাওয়ানো যাবে না। এক্ষেত্রে শুধু পার্সেল দিতে হবে।

ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিশ রিলেশন্স বিভাগ) মাসুদুর রহমান পার্সেলের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্রেতা সশরীরে হোটেলে এসে খাবার নিয়ে যেতে পারবে। হোটেল থেকে বাসায় বাসায় খাবার পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ থাকছে না।

কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পার্সেল হিসেবে খাবার বিক্রির সুযোগ থাকার বিষয়টি জানেন না অনেক মালিক। এ কারণে তারা হোটেল খুলছেন না বলে দাবি করেছেন। তাছাড়া দশ দিন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা পেয়ে অধিকাংশ কর্মচারী ঢাকা ছেড়েছে। জনবল সংকটের কারণে ক্রেতাদের সেবা দিতে পারছেন না অনেক হোটেল কর্তৃপক্ষ।

ডিএমপির পক্ষ থেকে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাজধানীর অধিকাংশ এলাকার হোটেল বন্ধ দেখা গেছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯