মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
আনোয়ার হোসেন :: বরিশালে অসাদু ব্যবসায়ীরা করোনা ভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করেছেন।
গতকাল বরিশাল সিটি শহরসহ বাহিরের এলাকার বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, চাল, ডাল, মাংশ, পিয়াজসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় ও ব্যবহাড়িত কাপর এমনকি বিষেশ সময়ের প্রয়োজনীয় মাস্কে মূল্য বৃদ্ধির লাপাত্তা।
নগরীর চাল পট্রি, পিয়াজ পট্রি, আলু পট্রিসহ কাচা বাজার ঘুরে দেখা যায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে দাম কেজি প্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা বৃদ্ধি করেছেন অসাদু ব্যবসায়ীরা এবং তাদের ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরাও তাদের চেয়ে চড়া দামে নিত্য প্রয়োজনী দ্রব্যে ক্রেতার কাছে বিক্র করার দৃশ্য দেখা গেছে। লাম ছড়ির ব্যবসায়ী কালামের কাছে দ্রব্যে দাম বেশী রাখার কারন জানতে চাহিলে প্রতিনিধিকে তিনি জানান, আমাদের বেশি টাকায় কেনা তাই আমরা বেশি রেডে বিক্র করছি। বেশি বিক্র দৃশ্য সায়েস্থাবাদ বাজার, পলাশপুর, বেলাতলা বাজার, আমির গঞ্জ বাজার, লাকুটিয়া বাজার, রুপাতলি বাজার, নবগ্রাম বাজার, কাশিপুর বাজার, চর মোনাই বাজার, বুখাই নগর বাজার, সাহেবের হাট, লাহার হাট, টুঙ্গি বাড়িয়া বাজার, নেহাল গঞ্জ বাজার, চন্দ্রমোহন বাজার, টুমচর বাজার, পতাং বাজার, মৌলভির হাট, লাকুটিয়া বাজারসহ বারিশাল অঞ্চলের বাজার গুলোতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যে অধিক মূল্যে বিক্র করছে। তবে পাইকারী বাজার ও ডিলারেরা দাম বাড়িয়ে দেওয়ায় খুচরা বাজারের ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন বলে তারা জানান। করোনা ভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে অসাদু বড় বড় ব্যবসায়ীরা জিনিসপত্র মজুদ করছেন বলে খুচরা বাজারের ব্যবসায়ীরা দাবী করছেন। করোনা ভাইরাসের কারণে কিছু ক্রেতারা জিনিসপত্র মজুদ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত মালামাল ক্রয় করছে বলেই ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ধারণা করে অসহায় স্থানীয়রা। তারা বলেন, করোনা ভাইরাস সারা বিশ্বে মহামারী আকার ধারণ করায় দাম বাড়বে বলে টাকা ওলা লোকেরা মালামাল ক্রয় করে মজুদ করছেন। এবং পাইকারী ব্যবসায়ী ও ডিলারেরা মালামাল পরে চড়া দামে বিক্র করার উদেশ্য মজুদ করছেন বলে খুচরা বাজারের ব্যবসায়ীদের ধারণা। বাজার গুলোতে ঘুরে জানা যায়, দু” দিন আগে ৫০ কেজি চালের মূল্য ছিলো ১৪০০ টাকা কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার দাম বেড়ে ২০০০ হাজার টাকা বিক্র হচ্ছে। পিয়াজের মূল্য ছিলো ৩৫ টাকা তা বেড়ে এখন ৯০ থেকে ১০০ টাকা। ডাল প্রতি কেজি ৬০ টাকা তা বেড়েছে এখন ৯০ থেকে ১০০ টাকা। তবে অতিরিক্ত দামে প্রয়োজনীয় দ্রব্যে বিক্রয়ের কোন পদক্ষেপ নিয়েছেন কি না উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে চানতে চাওয়ার চেষ্টা করিলে তাহা সম্ভব হয়নি।