মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ন
আনোয়ার হোসেন :: বরিশাল কুয়াকাটা পর্যটন কর্পোরেশনের কর্মকর্তার দ্বারাই পর্যটন হোটেলের কর্মচারীরা দিনদিন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল দুপুর দেড় টার সময় কুয়াকাটা পর্যটন হোটেলের স্টাফ পলাশ (৩০), পর্যটনের ব্যবস্থাপক সুভাষ নন্দীর দ্বারাই নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, পলাশ বরিশাল বাবুগঞ্জ দেহরগতী ইউনিয়নের আ: মন্নান হাওলাদারের ছেলে।
পলাশ কুয়াকাটা পর্যটন হোটেলে মাষ্টার রোল পদে বিগত সাড়ে তিন বছর যাবৎ কর্মরত থাকিয়া সুনামের সহিত কাজ করে আসছিল।
কিন্তু ব্যবস্থাপক সুভাষ নন্দী পর্যটনে যোগদানের পরে বিভিন্ন অনিয়মের পথে হাটতে হয় পলাশসহ সকল স্টাফদের। দূর্নীতিবাজ ওই ব্যবস্থাপক যোগদানের দুই বছরে পর্যটন দিয়ে অসৎ ভাবে প্রতি মাসে ইনকাম করছে প্রায় ১ থেকে দেড় লাখ টাকা। তার দূর্নীতি থেকে বেড়েই যেতে চায় পলাশসহ অনেক অসহায় কর্মচারী। মাষ্টার রোল পদের পর্যটন কর্পোরেশনের কর্মচারীরা চাকুরী হারানোর ভয়ে কোন অভিযোগ করতেন না।
ভুক্তভোগী পলাশ দুর্নীতিবাজ ব্যবস্থাপক সুভাষ নন্দীর কাছ থেকে আড়াল হতে চাইলেই প্রায় নির্যতনের শিকার হতে হয় ঐ দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্তৃক। দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মনে করেন, আমার দূর্নীতির বিষয়গুলো তো ওরা যানে। তাই ওই অসহায় স্টাফদের উপর চড়াও হয় ওই দূর্নীতিবাজ চৌখস কর্মকর্তা।
একটি সূত্র জানায়, দূর্নীতিবাজ সুভাষ নন্দী যোগদানের পরে পর্যটন হোটেলে তার নিয়ম মাফিক চলছে অবৈধ সব কার্যকলাপ। অবৈধকে বৈধতে পরিনত করাই যেন তার নিয়ম। পর্যটনে কর্পোরেশনের সকল ভোটারদের বিল অনলাইনে পরিশোধ করার কথা থাকলেও সে খালি বিলে স্বাক্ষর রেখে বিল আদাঁয় করছে। এমন চৌখস কর্মকর্তার দূর্নীবাজ সুভাষ নন্দীর নিয়ম মানতে রাজি না হওয়ায় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন পলাশসহ অনেকে। প্রায়ই পলাশের দ্বারা অনৈতিক কাজ করাতে চেষ্টা করেন ঐ চৌখস কর্মকর্তা। এই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা যোগদানের পরই নিয়োগ বানিজ্য সিন্টিকেট তৈরী করেন। তার যোগদানের দুই বছরের মাথায় টাকার বিনিময় ৬জন স্টাফ নিয়োগ দেন। যা সম্পুর্ন অবৈধ।
এখন সে ভিন্ন কৌশলে মিথ্যা বিভিন্ন অভিযোগে পুরান স্টাফদের নিয়োগ বাতিলের পায়তারা চালা”েছ বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এই অভিযোগের বিষয় বক্তব্য জানতে চাইলে ঐ চৌখস দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা প্রতিনিধির সাথে সু উত্তর না দিয়ে বারবার এড়িয়ে যাওয়ার চেস্টা করেন।
আরো বলেন, পর্যটন কর্পোরেশনের স্টাফ পলাশ মাদকাশক্ত, সব সময় নেশাগ্রস্ত থাকে বলে অভিযোগ করেন। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় মাদক কোথায় পায় এবং সে যেন মাদক কেনা বেচা করে তার কি প্রমাণ আছে। এমনকি তা যেনে আগে কি কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন। তার জবাব দিতে নারাজ ওই চৌখস কর্মকর্তা। তার কথার প্রেক্ষিতে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তাকে দ্বিতিয়বার তার সেলফোনে কল দিলে তিনি জানান, এই সব বিষয় আপনার জানার দরকার নেই। তবে ওই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নিয়োগ বানিজ্য অভিযোগ উঠেছে। তার কর্মরত সময় নিয়োগপ্রাপ্ত মহিউদ্দিন, হোসেন, নিজাম, সাহাবুদ্দিন, জাকারিয়া সবাই টাকার বিনেময়ে চাকুরী পেয়েছেন বলে অনেকে স্টাফ অভিযোগ করেছেন।
তবে অনিয়মের বিষয়ে বাংলাদেশ পর্যটন কপোরেশন পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. আব্দুস সামাদ ককর্ট ভাষায় বলেন, সাংবাদিক দের এমন কোন দরকার নেই। আমি সচিব বুজতে হবে। আপনি কল করেছেন কেন। জানেন আমি কি করতে পারি। সে সচিব কিš‘ তার কথায় বুজা যায় ওই সব অনিয়মের ব্যাপারে সবই জানেন। এমনকি সে ফোনের মাধ্যেমে মিথ্যা মামলাসহ প্রাণ নাশের হুমকী দেন।