সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি :: বাকেরগঞ্জে এক মাদ্রাসার ছাত্রীকে দুই ঘন্টা ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। বখাটের হিং¯্রতার শিকার রেশমা (ছদ্মনাম) ভবানীপুর দারুল উলুম বালিকা দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় ক্ষোভে-কষ্টে খেই হারিয়ে ফেলেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা। ঘটনার আকস্মিকতায় ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে ওই পরিবারের সদস্যরা। বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে ‘এই পৈশাচিক ঘটনার বিচার চায় না তারা’। স্থানীয় সূত্রানুযায়ি, যৌনহয়রানীর এই ঘটনার খলনায়করা ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২০ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে ওরশ চলছিল ভবানীপুরের সানু ব্যাপারীর অট্টালিকায়। ওরশের আড়ালে ওই অট্টালিকার দ্বোতলার অন্দরমহলের একটি কক্ষে চলছিল রঙ্গলীলা। ওই রঙ্গলীলার প্রধান খলনায়কের ভূমিকায় ছিল একই এলাকার মতলেবের পুত্র সাইদুল। ঘটনার এক পর্যায় সাইদুলের লোলুপ আক্রশের শিকার হয় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। ঘটনার পরে সরেজমিনে গিয়েছিলেন সাংবাদিক, চৌকিদারসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। কিন্তু কারও কাছ থেকেই কোন সুরাহা পায়নি ভুক্তভোগী পরিবারটি। উল্টো প্রভাবশালীদের দেখানো ভয়-ভীতিতে অসহায় হয়ে পড়েছে ভুক্তভোগীরা।
এমনকি ভয়ে ওই ঘটনার বিচার পর্যন্ত চায় না তারা। বখাটে সাইদুলের পরিবার পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রথমে বিচারের আশ্বাস দিলেও, এখন দিচ্ছেন হুমকি-ধামকি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সানু ব্যাপারীসহ তার সহযোগিরা প্রতি বছর পবিত্র ওরশের আড়ালে নারী সংক্রান্ত অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়। আনন্দ-ফূর্তি করতে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্ত, অনুসারীদের নামে নিয়ে আসা হয় নারী। ধর্মের নামে এই অপকর্ম বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনাসহ শিক্ষার্থী ধর্ষণ চেষ্টা ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছেন স্থানীয়রা।