সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক :: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে মাঠে নেমেছে পুলিশের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
গতকাল থেকে শুরু হওয়া এ দায়িত্বে পরবর্তী ৫৬ ঘণ্টা পর্যন্ত রাজধানীতে নিয়োজিত থাকবেন এসব সংস্থার সদস্যরা। এর বাইরে ভোটকেন্দ্রিক নানা অপরাধে সম্পৃক্তদের তাতক্ষণিক সাজার আওতায় আনতে মাঠে থাকছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১২৯টি মোবাইল টিম।
দুই সিটির ২ হাজার ৪৬৮টি ভোটকেন্দ্রের ১৪ হাজার ৪৩৪টি ভোটকক্ষে শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা একটানা ভোট হবে। দুই সিটিতে ভোটগ্রহণের সার্বিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন অর্ধ লাখেরও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী।
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমদের নেতৃত্বে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, এপিবিএন সদস্যদের মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স নির্বাচনী এলাকায় টহলে থাকবে। আর পুলিশসহ আনসার-ভিডিপির সদস্যরা থাকবেন ভোটকেন্দ্রগুলোয়।
ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রগুলোয় ৪১ হাজার ৯৫৬ জন পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির সদস্য থাকছেন। সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ জন করে সদস্য মোতায়েন থাকবে।
পাশাপাশি পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে গঠিত ১২৯টি মোবাইল ফোর্সে থাকবেন ১ হাজার ২৯০ জন। এর বাইরে পুলিশের ৪৩টি স্ট্রাইকিং ফোর্সে থাকবেন ৪৩০ জন। আর রিজার্ভ স্ট্রাইকিং ফোর্সে থাকবেন ৫২০ জন।
বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকার দুই সিটিতে মোট ৬৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরে ২৭ প্লাটুন ও দক্ষিণে ৩৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য ভোটের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি শনিবার ভোট সামনে রেখে আরো ১০ প্লাটুন রিজার্ভ রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তাদেরও মোতায়েন করা হতে পারে।
এদিকে নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাব মহাপরিচালক জানান, দুই সিটিতে। র্যবের টিম থাকবে ১৩০টি। প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে টিম দায়িত্ব পালন করবে। গড়ে ১১ জন করে এতে মোট ১ হাজার ৪৩০ জন র্যাব সদস্য থাকবেন। এর বাইরে দুই সিটিতে র্যাবের ১০টি রিজার্ভ টিম থাকবে, তাতে ১১০ জন সদস্য থাকবেন।